মহিষাদল: গোটাদেশ জুড়ে চলছে সিএএ এবং এনআরসি বিরোধি আন্দোলন। আন্দোলন অব্যাহত কলকাতাতেও। প্রতিবাদে পথে নেমেছেন অভিনেতা থেকে বুদ্ধিজীবী সকলেই। প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে দেশের যুব সমাজও। আর এই প্রেক্ষাপটে মহিষাদলে হয়ে গেল ‘তিতুমীর’ নামক একটি নাটক।

যে নাটকের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের মোড়কে তুলে ধরা হয়েছে বর্তমান পরিস্থিতিকে। নাটকে তিতুমীরের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অনির্বান ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ”আজকে যখন ইতিহাসকে পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ইতিহাসকে নতুন করে লেখার চেষ্টা চলছে, তার বিরুদ্ধ্যে এই নাটক। সিএএ, এনআরসি নিয়ে যে প্রবনতা দেখা যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে এই নাটক।”

নাটকের পরিচালক জয় রাজ বলেন, ”ভারতবর্ষে এই মুহূর্তে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। তিতুমীর শুধু মুসলমানদের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন নিপিড়িত মানুষদেরও নেতা। এখন গোটা দেশের যা পরিস্থিতি, তাঁর সেই লড়াই প্রেরনা যোগাবে। আর সেই লড়াইয়ের কাহিনি এখনকার সময়ের জন্য অত্যন্ত সাযুজ্য।” পাশাপাশি কৈলাশ বিজয় বর্গীর চিঁড়ে তত্ত্বকেও কটাক্ষ করেছেন তিনি।

মহিষাদল নাট্যোৎসব ওয়েলফেয়ার কমিটির আয়োজনে, গত ২৩ শে জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে ‘মহিষাদল নাট্যোৎসব’। সোমবার ছিল এই নাট্যোৎসবের শেষদিন। আর শেষদিনে ‘তিতুমীর’ নামক নাটকটি পরিবেশিত হয়। মহিষাদল নাট্যোৎসব ওয়েলফেয়ার কমিটির সম্পাদক প্রশান্ত গিরি জানান, বর্তমান সময়ে সিএএ ও এনআরসি নিয়ে সাধারন মানুষ চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। এই নাটকের মধ্যদিয়ে মানুষ বুঝতে পারবে বৃটিশদের বিতাড়িত করার জন্য সব ধর্মের মানুষ কেমন এক হয়ে লড়াই করেছিলো।