মুম্বই: মুসলিমদের জন্য সংরক্ষনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উদ্ধভ ঠাকরে শাসিত মহারাষ্ট্র সরকার। রাজ্যের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মুসলিমদের জন্য ৫ শতাংশ সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহারাষ্ট্রের জোট সরকার।

শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে গিয়ে সংখ্যালঘু সম্পর্কিত মন্ত্রী নওয়াব মালিক জানিয়েছেন, “আমরা বিধানসভায় এই সিদ্ধান্ত যৎ তাড়াতাড়ি পাশ করা যায় সেই চেষ্টা করছি”।

নওয়াব মালিক জানিয়েছেন, মহারাষ্ট্র লেজিসলেটিভ অ্যাাসেম্বলি কাউন্সিল এই বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেবে। স্কুল এবং কলেজে ভর্তির আগে এই বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। নওয়াব মালিক কংগ্রেসের প্রশ্নের উত্তরে এই কথা জানিয়েছেন।

শেষ ৯০ দিনে তিন শরিকের মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে দ্বন্দ্ব বাঁধলেও, এই সরকার ৫ বছর চলবে। এমনটা জানিয়েছে তিন পক্ষই। এদিকে এনসিপি নেতা তথা মন্ত্রী নবাব মালিক বলেছেন, শিক্ষার পাশাপাশি সরকারি চাকরিতে মুসলিম সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে তারা আইনি পরামর্শ নিচ্ছেন। এর আগে আদালতের নির্দেশ থাকলেও পূর্বতন দেবেন্দ্র ফড়নবীশ সরকার এই সংরক্ষণ লাগু করেনি।

শুক্রবার মন্ত্রী নবাব মালিক বলেছেন, আমরা চেষ্টা করছি এই অধিবেশনের শেষে মুসলিমদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ চালু করতে। ৫% সংরক্ষণ দিতে আমরা বিল আনছি। ইতিমধ্যে শিক্ষা ও সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের জন্য ৫০% কোটা বেঁধে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। সেই কোটা মেনেই এই ৫% শতাংশ বরাদ্দ হবে বলে সূত্রের খবর।

মারাঠাদের জন্য সে রাজ্যে সরকারি চাকরি ও শিক্ষায় সংরক্ষণ প্রথা লাগু করা হয়েছিল। গত বছর জুনে মহারাষ্ট্রের বিজেপি-শিব সেনা জোট সরকারকে মারাঠাদের জন্য সংরক্ষণ চালু করতে অনুমতি দিয়েছিল। কিন্তু সরকারি তরফে ১৬% সংরক্ষণের দাবি নিয়ে আবেদন করা হয়েছিল। তবে সেটা ১৩%-তে সিলমোহর দিয়েছিল আদালত। মারাঠা সংগঠনগুলোর দাবি ছিল, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে ৫০% করা হোক সংরক্ষণ বরাদ্দ।

তবে এই ৫০% বরাদ্দ পূরণে রাজ্যের মহা-অঘোরী সরকারের পরিকল্পনা কী? তা নিয়ে মুখ খোলেনি সরাকারি কোনও সূত্র।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।