মুম্বই: দেশজুড়ে ক্রমই উর্ধ্বমুখী জ্বালানির দাম। অমিতাভ বচ্চন ও অক্ষয় কুমারের শুটিং বন্ধ করার হুমকি দিল কংগ্রেস। তাদের বক্তব্য, মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে চুপ এই দুই সুপারস্টার। অতীতে তাঁদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সরব হতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু অভিযোগ, কেন্দ্র সরকারের নেক নজরে থাকতে এখন জ্বালানির দাম বৃদ্ধির মতো ভয়াবহ ইস্যু নিয়ে মুখ খুলছে না কেউ। রাজ্যের কংগ্রেস প্রধান এই ইস্যু তুলেই অমিতাভ ও অক্ষয়ের শুটিং বন্ধ করার হুমকি দিয়েছেন।

রাজ্যের কংগ্রেস প্রধান নানা পাটোলে বৃহস্পতিবার বলেছেন, “জ্বালানির দাম বৃদ্ধি সাধারণ মাননুষকে সমস্যায় ফেলেছে। মনমোহন সরকারের সময়কালে অমিতাভ বচ্চন ও অক্ষয় কুমারের মতো সেলেব্রিটিরা জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে টুইট করেছিলেন। কিন্তু আজ তাঁরা নীরব।” মোদী সরকারের অঙ্গুলিহেলনেই এই সেলেবরা চুপ করে রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। এদিন তিনি আরও বলেছেন, “মহারাষ্ট্রে অমিতাভ বচ্চন ও অক্ষয় কুমারের ছবির শুটিং আমরা হতে দেব না। হয় আপনারা নরেন্দ্র মোদী সরকারের দেশদ্রোহী নীতি নিয়ে কথা বলুন নয়তো আমরা আপনাদের শুটিং বন্ধ করে দেব।”

কংগ্রেসের এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে মুখ খুলেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতা সুধীর মুঙ্গানতিওয়ার বলেছেন, অমিতাভ বচ্চন এমন হুমকিকে পাত্তা দেন না। ‘শোলে’ ছবিতেও এমন হুমকি তিনি গব্বর সিংয়ের কাছ থেকে পেয়েছিলেন। ফলে কংগ্রেসের হুমকিতে ঘাবড়াবেন না বিগ বি। যদিও মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে মুখ না খোলায় ইতিমধ্য়েই সোশ্যাল সাইটে সমালোচনার শিকার হয়েছেন অমিতাভ বচ্চন ও অক্ষয় কুমার।

লাগামছাড়া দামবৃদ্ধি পেট্রোপণ্যের। সপ্তাহ খানেক ধরে একটু একটু করে বাড়তে বাড়তে আকাশছোঁয়া দাম জ্বালানির। কেন্দ্রের শুল্ক কমানোর সম্ভাবনার মধ্যেই পেট্রোলের দাম বেড়েই চলেছে। বাজেটে জ্বালানির উপরে কৃষি পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সেস বসানোয় একপক্ষ জানিয়েছিল পেট্রোলের দাম কমতে পারে আবার কেউ কেউ বলেছিল নতুন সিদ্ধান্তে দাম বাড়বে। কিন্তু দামের অঙ্কের গ্রাফ বাড়তে বাড়তে আকাশ ছুঁয়েছে। মধ্যপ্রদেশে পেট্রোলের দাম একশো টাকা ছাড়িয়েছে। লিটার প্রতি ১০০ টাকারও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে পেট্রোল।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।