পালঘর: পূর্বে আমফানের পর এবার পশ্চিমে পাড়ি দিয়েছে সাইক্লোন নিসর্গ। করোনায় সবচেয়ে বেশি দেশে বিধ্বস্ত হয়েছে মহারাষ্ট্র, এবার ঘূর্ণিঝড় সামলাতে তৈরি হচ্ছে আরব সাগর সংলগ্ন রাজ্য। তবে জানা যাচ্ছে ১৩টি মৎস্যজীবীদের বোট এখনও সাগর থেকে ফেরেনি, তাঁদেরই দ্রুত ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, মঙ্গলবার তেমনটাই জানা গিয়েছে কর্তৃপক্ষের তরফে।

ইতিমধ্যেই মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে সাইক্লোন নিসর্গের জন্য মুম্বই সহ একাধিক জেলার জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার সমুদ্র সৈকতে আছড়ে পড়বে এই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়।

কালেক্টর কৈলাশ সিন্দে জানিয়েছেন, মোট ৫৭৭টি মৎস্যজীবীদের বোট সমুদ্রে গিয়েছিল তবে সোমবার পর্যন্ত ৪৭৭টি ফিরে এসেছে তবে বাকীরা এখনও ফেরেনি বলেই জানা গিয়েছে।

তিনি আরও জানান, বাকী ১০০ জনকে ফিরিয়ে আনার জন্য ব্যবস্থা করা হচ্ছে তবে ১৩টি বোট আলাদা হয়ে গিয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তবে সেখানে কতজন মৎস্যজীবী রয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

মৎস্যজীবীদের ফেরাতে কোস্ট গার্ড এবং মৎস্য দফতরের সাহায্য নিচ্ছে জেলা প্রশাসন, তেমনটাই জানিয়েছেন পালঘরের বিপর্যয় ম্যানেজমেন্ট সেলের প্রধান বিবেকানন্দ কদম।

ভাসাই, দাহানু এবং পালঘর তালুক মূলত মৎস্যজীবী অধ্যুষিত এলাকা, সেখানে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালারট। কোস্টের কাছাকাছি যারা থাকেন তাঁদের ইতিমধ্যেই সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

পার্শ্ববর্তী থানে এলাকায় এক কোম্পানি এনডিআরএফ পৌঁছে গিয়েছে। উত্তান এলাকায় সবচেয়ে বেশি মৎস্যজীবীদের বসবাস সেখানেও রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। মোট দশ কোম্পানি এনডিআরএফ মোতায়েন করা হয়েছে, ছয়’টি মজুত রাখা হয়েছে।

তবে ইতিমধ্যেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে শীর্ষে রয়েছে মহারাষ্ট্র, চিকিৎসাধীন বহু কোভীড রোগী। তাই সাইক্লোনের সময় অন্যান্য জায়গায় লোডশেডিং হলেও হাসপাতালগুলি যাতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন না হয় সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

আরব সাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের দিকে নজর দিয়ে মুম্বই সিটি, মুম্বই শহরতলি জেলা, থানে, পালঘর, রায়গড়, রত্নগিরি এবং সিন্ধু দুর্গে জারি করা হয়েছে সতর্কতা, তেমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধভ ঠাকরে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প