প্রীতম সরকার, রায়গঞ্জ: একদিকে করোনার বিপদ অন্যদিকে লাগাতার বৃষ্টিতে মহানন্দা এবং নাগর নদী ফুঁসছে। বিপদ সীমার উপর দিয়ে বইছে জল। আতঙ্ক দেখা দিয়েছে বাহিন এবং গৌরী গ্রাম পঞ্চায়েতের বিস্তীর্ণএলাকায়।

শনিবার রাত থেকেই সরানো শুরু হয়েছে গবাদিপশুদের। শনিবার রাত ১০ টা নাগাদ এলিঙ্গা, কুমারজোল, টেগড়া, কুমরোল, বাস্তিপুর, শঙ্কর মানুষ জলের স্রোত দেখেই শঙ্কিত হয়ে পডেছেন। ঘুরে ফিরেই সেই ২০১৭ সালের প্রলয়কারী বন্যার কথা মানুষকে মনে করিয়ে দিচ্ছে।

পাশাপাশি, কালিয়াগঞ্জ ব্লকের রাধিকাপুররের টাঙ্গন নদীর জল বৃদ্ধি পাওয়ায় রাধিকাপুর এলাকার মানুষদের বিগত দিনের ভয়াবহ বন্যার আতঙ্কে রয়েছেন। রাধিকাপুরের বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দারা জানান, এই মুহূর্তে টাঙ্গন নদীর বাঁধের বেশ কিছু এলাকার পরিস্থিতি ভালো নয়। বর্তমানে যে হারে রাধিকাপুরের টাঙ্গন নদীর জল বেড়ে চলেছে তাতে রাধিকাপুরের সাধারণ মানুষ বন্যার আতঙ্কে ভুগছেন।

কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক তপন দেবসিংহ জানান, রাধিকাপুরের টাঙ্গন নদী নিয়ে ব্লকের বিডিওর সাথে কথা হয়েছে। খুব শীঘ্রই এলাকায় গিয়ে সবকিছু দেখে শুনে যাতে আগাম প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায় তার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, জেলার গোয়ালপোখরের চাকুলিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বেশ কয়েকটি এলাকা। স্থানীয় বালিগুড়া থেকে বলঞ্চা, উরপি, সাহাপুর যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ সড়ক যোজনার রাস্তা জলের তলায় চলে যাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। জলের তোড়ে ভেঙে গিয়েছে রাস্তার উপর নির্মিত এলাকার একমাত্র কালভার্টটিও। ফলে বিস্তীর্ণ চাষের জমি জলমগ্ন হয়ে পড়ায় মাথায় হাত পড়েছে স্থানীয় কৃষিজীবী মানুষদের। ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে গোয়ালপোখর-১ ব্লকের সঙ্গে গোয়ালপোখর-২ ব্লকের যোগাযোগ।

জানা গিয়েছে, টানা বৃষ্টির জেরে নদীর জল বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চাকুলিয়া বাজার এলাকায় রাস্তার ওপর দিয়ে জল যাচ্ছে। রাস্তার দু’পাশের দোকান ও বাড়িঘরেও জল ঢুকে পড়েছে। মহানন্দা ও সুধানি নদীর জল অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় নদীর পাশের মানুষজন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। ক্ষিত হয়েছে ফসলেরও। এখনও এধিকাংশ জমির ভূট্টা কাটতে পারেননি চাষিরা। তাদের ক্ষেত জলের তলায় চলে গিয়েছে।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।