স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ২৬ জানুয়ারি, প্রজাতন্ত্র দিবসে লালকেল্লাকাণ্ডে মোদী সরকারকে কাঠগড়ায় তুললেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম৷ তিনি বললেন, “রাস্তা কারও বাবার নয়। সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। প্রত্যেকটা মৃত্যুর দায় নরেন্দ্র মোদী  এবং অমিত শাহের।”

প্রজাতন্ত্র দিবসে কৃষকদের ট্র্যাক্টর র‍্যালি ঘিরে রক্তাক্ত দিল্লির রাজপথ। ITO-তে বিক্ষোভস্থলে নিহত হলেন এক ব্যক্তি। ট্র্যাক্টর উলটে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা পিটিআই৷ এদিন কৃষকদের ট্র্যাক্টর প্যারেডের অনুমতি দিয়ে রুট নির্ধারণ করে দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু আন্দোলনকারীরা সে সব মানলেন না।সীমান্ত পেরিয়ে দিল্লির বিভিন্ন রাস্তায় ঢুকে পড়ে বিদ্রোহী কৃষকরা। দুর্বার গতিতে তা দিল্লির বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে৷ তাঁদের পথ আটকাতে দিল্লির নয়ডা মোড়, আইটিও মোড়, এসবিটি এলাকায় খণ্ডযুদ্ধ বাধে দুই পক্ষের৷ কিন্তু কোনও ভাবেই তাঁদের থামনানো যায়নি৷ সোজা পৌঁছে যায় লালকেল্লায় জাতীয় পতাকার কাছাকাছি। গম্বুজের মাথায় জাতীয় পতাকা উড়ছিল। নীচে পোঁতা ছিল আরও একটি পাইপ। সেই পাইপ বেয়ে উঠে সংগঠনের পতাকা টাঙিয়ে দেন এক জন। লালকেল্লার গম্বুজের উপরেও উঠে পড়েন অনেকে।

স্বাভাবিক ভাবেই এ নিয়ে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। পুলিশের নির্দিষ্ট রুট না মানা, বিভিন্ন জায়গায় বিশৃঙ্খল আন্দোলন, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের পাশাপাশি লালকেল্লায় এ ভাবে পতাকা উত্তোলনের সমালোচনা করেন অনেকেই। দিল্লির পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের বক্তব্য, ট্র্যাক্টর প্যারেডের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট রুট মানেননি কৃষকরা। সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের আহ্বান জানানো হচ্ছে, কিন্তু তাঁরা কিছুতেই কর্ণপাত করছেন না। এটা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন নয়।

এপ্রসঙ্গে সেলিম বলেন, “যখন মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়, কৃষকের অধিকার কেড়ে নেওয়া হয় তখন প্রতিবাদটাই পথ। রাস্তা কারও বাবার নয়। এদেশের কৃষক তাঁর মাঠ খেত ছেড়ে কেন রাস্তায় এসেছে? দিল্লিতে বিদেশের অতিথিরা আসতে পারে, দিল্লিতে বাংলাদেশের সেনা প্যারেড করতে পারে আর আমাদের কৃষকরা ট্র্যাক্টর নিয়ে প্যারেড করতে পারে না? সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। প্রত্যেকটা মৃত্যুর দায় নরেন্দ্র মোদী  এবং অমিত শাহের।”

যদিও এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার তরফে সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, যে ভাবে কৃষকরা এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছে তাতে আমরা খুশি। তবে আন্দোলন করতে গিয়ে যেসব অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে তার সঙ্গে আমার সহমত নই।

এদিকে, পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হতেই উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে বসলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ৷ স্বরাষ্ট্র সচিব অজয় ভাল্লা এবং দিল্লি পুলিশ কমিশনার এসএন শ্রীবাস্তব এই বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে৷ অমিত শাহকে এদিনের পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানো হয়েছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।