মহাভারতের সময়ও হয়েছিল পারমানবিক যুদ্ধ। সে সময়ে দাঁড়িয়ে পাণ্ডব ও কৌরবদের মধ্যে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধকে খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়। এই বড় মাপের যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছিল বিভিন্ন উন্নতমানের অস্ত্র। সেই সমইয়ের প্রযুক্তিতে তৈরি অস্ত্রগুলি ছাড়া এই যুদ্ধ অসম্পূর্ণ থাকতো। মহাভারতের দ্রোণা পর্বে পুরো সেনা বাহিনী একটি বিষ্ফোরণের ফলে ধ্বংস হয়ে গেছিল। ধ্বংস হয়েছিল হাতি, ঘোড়া, এলাকার গাছ পাতা সমস্ত।

মহাভারতের যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছিল ঙ্গা অস্ত্র। এই অস্ত্র সাপের মত কাজ করত। এযুগের হিট সিকিং মিসাইলের সঙ্গে এই অস্ত্রের তুলনা করাই যায়। সম্মোহনা অস্ত্র নামক একটি অস্ত্র থেকে গ্যাস নিঃসৃত হত। এর ফলে শত্রুপক্ষ শারীরিক ও মানসিকভাবে আক্রান্ত হত। ‘মন্ত্র’ বলে একটি অস্ত্র ছিল যেটির শব্দ দিয়েই আক্রমণ করা হত।

‘বাসবী শক্তি’ অস্ত্র থেকে বিদ্যুতের মত আলো বের হত। এটি একবারের বেশি ব্যবহার করা যেত না। আজকের বাস্টার লঞ্চারের সঙ্গে এর তুলনা করা যায়। দেবরাজ ইন্দ্র এই প্সত্র কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে প্রদান করেছিল। এই অস্ত্র প্রথম রামায়ণে ইন্দ্রজিৎ লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিলেন।

ব্রহ্মাস্ত্র অস্ত্র মহাভারতের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত সোলার সিস্টেমকে ধ্বংস করার জন্য সক্ষম ছিল এই অস্ত্র। পুরাণে বলা আছে এই অস্ত্র প্রয়োগ করলে সমুদ্রের জল শুকিয়ে যাবে, পাহাড় ধ্বংস হয়ে যাবে।

মহাভারতে এই ধরণের প্রচুর অস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছিল যার প্রযুক্তি আজকের অস্ত্রের সঙ্গে রীতিমত পাল্লা দিতে পারে। বিস্ফোরণ ধ্বংস, পারমানবিক যুদ্ধের সবই উল্লেখ আছে এই যুদ্ধে।