স্যান্টিয়াগো: ফের ভূমিকম্প চিলিতে৷ বৃহস্পতিবার ৬.৮ তীব্রতায় কেঁপে ওঠে দেশটি৷ ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভির রিপোর্ট থেকে এই খবর জানা গিয়েছে, তবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই৷

মধ্য চিলির ভালপারাইসোর উপকূলীয় শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ১৪০ কিলোমিটারে এই কম্পন অনুভূত হয়৷ চিলির ন্যাশনাল এমারজেন্সি অফিস থেকে জানানো হয়েছে কোনও প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতি হয়নি৷ সরকারি সংস্থা বিষয়টির ওপর নজর রাখছে৷ সুনামির আশঙ্কার কথা মাথায় রেখে দেশের নৌসেনাবাহিনীকে অবগত করা হয়েছে ইতিমধ্যেই৷

এর কয়েকদিন আগেই, শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জাপান। ভোররাতে জাপানের হোনশু দ্বীপের দক্ষিণ উপকূলের কাছে সাগরে প্রবল এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। যদিও এজন্যে কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। ৬.৩ মাত্রার ভূমিকম্পটি হয় বলে ইউরোপীয় ভূমিকম্প মনিটরিং সার্ভিস (ইএমএসসি) জানায় বলে প্রকাশিত খবরে দাবি করে সংবাদসংস্থা রয়টার্স।

ভূমিকম্পটি যে এলাকাজুড়ে অনুভূত হয় সেখানে তিন কোটি লোকের বাস বলে জানায় ইএমএসসি। তবে তাহতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে প্রবল এই ভূমিকম্পে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়।

উল্লেখ্য, মাত্র ২০ মিনিটের ব্যবধান। শনিবার গভীর রাতে পরপর দুবার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে ফিলিপাইন। দুবারই শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয় গোটা দেশজুড়ে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে অন্তত সাতজনের নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। প্রবল কম্পনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা যায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়। নতুন করে কম্পনে আতঙ্কে বাড়ি-ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন ফিলিপাইনের কয়েক হাজার মানুষজন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।