লখনউ: মকর সংক্রান্তি থেকে শুরু করে মহাশিবরাত্রি অবধি চলা প্রয়াগরাজের মাঘ মেলা শুরু হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হচ্ছে এই মেলা। এবার ৫৭ দিনের এই মেলার প্রশাসনিক প্রস্তুতি পুরোদমে চলছে। বৃহস্পতিবার প্রায় ৮০ লক্ষ ভক্ত প্রথম স্নানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, এই মাঘ মেলায় ছয়টি বড় স্নান হবে। বৃহস্পতিবার মকর সংক্রান্তিতে শুরু হচ্ছে এর প্রথম স্নান।করোনাভাইরাসের জেরে এবার অনেক কিছু আগের বছরগুলির তুলনায় আলাদা হচ্ছে। প্রশাসনের অনুমান, এবার সাড়ে তিন কোটি ভক্ত প্রয়াগরাজে আসবেন। যেহেতু এবার করোনার ভ্রূকুটির মধ্যেই মেলা বসছে তাই কড়া পরীক্ষা রয়েছে প্রশাসনের সামনে। মেলা অঞ্চলে করোনার গাইড লাইন যাতে সকলে মেনে চলে তাই সমস্ত প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন – ভারতের চেয়ে কেউ কম দাম দিলে টিকা তাদের কাছে কেনা হবে: বাংলাদেশ

এবার মেলায় শারীরিক দূরত্ব যাতে মেনে চলা হয়, সেদিকে দৃষ্টি রাখছে প্রশাসন। টয়লেটের সংখ্যা প্রায় তিনগুণ বাড়ানো হয়েছে। পাঁচটি ভাগে মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। মোট এলাকা থাকছে ৬৪০ হেক্টর। মেলাধিকারী বিবেক চতুর্বেদী জানিয়েছেন, তাঁদের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ। মেলায় প্রবেশের জন্য ১৬ টি প্রবেশ দ্বার বানানো হয়েছে। যে দ্বারগুলিতে থাকবেন পুলিশ কর্মীরা।

স্নানের ঘাটগুলির চত্বরও বাড়ানো হয়েছে। যাতে স্নানের সময় বা পরে ভক্তরা কোভিড প্রোটোকল মেনে চলতে পারে ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারে। মেলায় থাকছে ১০০ টিরও বেশি সিসিটিভি ক্যামেরা। একই সঙ্গে এখানে ১৩ টি থানা সহ ৩৮ টি পুলিশ পোস্ট গঠন করা হয়েছে। ১৩ টি ফায়ার স্টেশন রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন – বাগবাজারে আগুনে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে কলকাতা পুরসভা, আজ ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম

এবার পুলিশ কর্মীদের অতিরিক্ত দায়িত্ব থাকবে। পুলিশ কর্মীরা দেখবেন, ভক্ত এবং পর্যটকরা মাস্ক পড়ছেন কিনা, আগত পুন্যার্থীরা কোভিড বিধি মানছেন কিনা ইত্যাদি।

সুরক্ষা বাড়াতে ন্যাশনাল ডিসাস্টার রেসপন্স ফোর্স, স্টেট ডিসাস্টার রেসপন্স ফোর্স, বোম্ব ডিটেকশন অ্যান্ড ডিসপোজাল স্কোয়াড, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এর বেশ কয়েকটি দল মোতায়েন করা হয়েছে।দেড় মাস ব্যাপী মেলা চলাকালীন আইবি এবং এলআইইউ-এর গোয়েন্দা দলও উপস্থিত থাকবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।