স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ: পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে কোনও মিল নেই এদিনের ইংরেজি পরীক্ষার। আর তা না থাকায় কিছুটা হলেও সস্তি মধ্যশিক্ষা পর্ষদের। (আপডেট করা হয়েছে- 21:41:33) 

মাধ্যমিক পরীক্ষায় দ্বিতীয় দিনে ইংরেজী পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র টিকটকের মাধ্যমে ভাইরাল। অন্যদিকে পরীক্ষা কেন্দ্রে স্মার্ট ফোন নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে বহিস্কার করা হল পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কড়া ব্যবস্থা। প্রশাসনিক নজরদারি সত্ত্বেও ফের মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল।

জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ছাত্রের নাম ওসমান আলী। সে স্থানীয় বাহারাল স্কুলের ছাত্র। তার মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল পার্শ্ববর্তী বৈদ্যনাথপুর স্কুলে। এদিন ইংরেজি পরীক্ষা চলাকালীন ওই ছাত্রের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন উদ্ধার করেন পরীক্ষক। কেড়ে নেওয়া হয় তার খাতা। অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হলেও সে ফের পরীক্ষায় বসতে পারবে কিনা সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও তরফে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানা যায়নি।

যদিও, পরীক্ষার দ্বিতীয় দিনেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের খবরে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে যে প্রশ্নপত্র ঘুরছে তা সঠিক কিনা জানা যাবে বেলা ৩’টের পর।

২০১৯ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় লাগাতার প্রশ্নফাঁসে বেকায়দা পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে। এবছর সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রুখতে প্রথম থেকেই তৎপর ছিল প্রশাসন। সেই কারণে, চলতি বছরের মাধ্যমিকে প্রশ্নফাঁস রুখতে একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছিল পর্ষদ। বিভিন্ন জেলার ৪২ টি ব্লকে ২ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।

কিন্তু, তা সত্ত্বেও এবারও প্রথম ভাষা বাংলার পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল সেই প্রশ্নপত্র। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল পর্ষদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে। যদিও সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি পর্ষদ সভাপতি। তবে মঙ্গলবারই প্রশ্নফাঁসের তদন্ত শুরু হয়। মালদহের একটি নম্বর থেকে প্রশ্ন ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যদিও গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে সদা সচেষ্ট রয়েছে পুলিশ-প্রশাসন।

উল্লেখ্য,এই প্রশ্ন পত্রটি এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলেও সেটি সঠিক কিনা তা যাচাই করেনি কলকাতা ২৪X৭।