মাদ্রিদ: চোট সারিয়ে প্রত্যাবর্তন ম্যাচে গোল করে রিয়াল মাদ্রিদের হার এড়ালেন করিম বেনজেমা। ওয়ান্ডা মেট্রোপলিটানো স্টেডিয়ামে রবিবাসরীয় মাদ্রিদ ডার্বিতে লিগ শীর্ষে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের তিন পয়েন্টের স্বপ্ন চুরমার হল ফরাসি স্ট্রাইকারের পায়েই। চোটের কারণে শেষ কয়েকটি ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি বেনজেমা। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মাদ্রিদ ডার্বির আগে দলের তুরুপের তাসকে ফিট বলে ঘোষণা করেন কোচ জিনেদিন জিদান।

আর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মূল্যবান গোল এনে দিয়ে লস ব্ল্যাঙ্কোসদের খেতাব ধরে রাখার লড়াইয়ে রাখলেন ফ্রান্সের জাতীয় দলের স্ট্রাইকার। তবে ৮৮ মিনিটে রিয়ালের গোলের আগে অবধি তিন পয়েন্ট কার্যত নিশ্চিত মনে হচ্ছিল অ্যাটলেটিকোর। সৌজন্যে লুইস সুয়ারেজ। ১৫ মিনিটে মার্কোস লরেন্তের থ্রু পাস ধরে বক্সের মধ্যে ডান পায়ের আউটস্টেপে থিবো কুর্তোয়াকে পরাস্ত করেন ঊরুগুয়ে স্ট্রাইকার। একইসঙ্গে পাঁচ ম্যাচের গোলখরা কাটান তিনি। ক্লাব এবং দেশের হয়ে কেরিয়ারে এটি সুয়ারেজের ৪৯৮তম গোল।

উল্লেখ্য, শীর্ষে থাকা অ্যাটলেটিকোর চেয়ে এক ম্যাচ বেশি খেলে এবং পাঁচ পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে এদিন মাদ্রিদ ডার্বিতে মাঠে নেমেছিল জিদানের ছেলেরা। যদিও জিদান জানিয়েছিলেন ডার্বির ফলাফল খেতাব নির্ণায়ক হবে না। সুয়ারেজের গোলের পাশাপাশি প্রথম ৪৫ মিনিটে ধারেভারে রিয়ালের চেয়ে এগিয়েছিল অ্যাটলেটিকো। একটি ক্ষেত্রে পেনাল্টির আবেদন ছাড়া রিয়ালকে নিয়ে প্রথমার্ধে বেশি কিছু বলার নেই। এমনকি দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের রাশ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছিল দিয়েগো সিমোনের ছেলেদের হাতেই।

লরেন্তে, ক্যারাসকোরা দ্বিতীয় গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। ক্যারাসকো এবং সুয়ারেজের একটি করে প্রয়াস কুর্তোয়ার দস্তানায় প্রতিহত হলে ম্যাচে টিকে থাকে লস ব্ল্যাঙ্কোসরা। পালটা ফেডেরিকো ভালভের্দের দূরপাল্লার দুরন্ত একটি শট রক্ষা পায় অ্যাটলেটিকো গোলরক্ষক জন ওবলাকের দস্তানায়। গোলের লক্ষ্যে মরিয়া রিয়াল মাদ্রিদ কাঙ্খিত গোলের দেখা পায় ম্যাচ শেষের দু’মিনিট আগে। ক্যাশেমিরোর সঙ্গে বক্সের মধ্যে ওয়ান-টু খেলে দলকে সমতায় ফেরান ফরাসি স্ট্রাইকার।

তবে মাদ্রিদ ডার্বিতে পয়েন্ট ভাগ হওয়ায় আখেরে লাভ হল বার্সেলোনার। দ্বিতীয়স্থানে থাকা বার্সেলোনা গতকাল ওসাসুনাকে হারিয়ে অ্যাটলেটিকোর সঙ্গে ব্যবধান কমিয়ে এনেছিল। ২৫ ম্যাচ খেলে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে আপাতত শীর্ষে অ্যাটলেটিকোই। ২৬ ম্যাচ খেলে যথাক্রমে ৫৬ এবং ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয়স্থানে বার্সেলোনা এবং রিয়াল মাদ্রিদ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।