joint entrance examination will be held on 11 july
ফাইল ছবি।

কলকাতা: করোনার সেকেন্ড ওয়েভ তাণ্ডব চালাচ্ছে দেশজুড়ে। বাংলাতেও হু হু করে ছড়াচ্ছে সংক্রণ। এই পরিস্থিতিতে আজ থেকেই রাজ্যের সব স্কুল ফের বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আজ থেকেই স্কুলে গরমের ছুটি দেওয়া হয়েছে। জুন মাস পর্যন্ত স্কুলে গরমের ছুটি চলবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আগামী ১ জুন থেকে রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। মুখ্যমন্ত্রীর স্কুল ছুটির এই ঘোষণায় মাধ্যমিক পরীক্ষার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা কবে হবে সেব্যাপারে এখনও স্পষ্টভাবে কিছু জানায়নি রাজ্য সরকার।

করোনার গ্রাসে বাংলা। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ গোটা বংলাকে তোলপাড় করে দিচ্ছে। সোমবার সন্ধেয় রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া হেল্থ বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪২৬ জন। শুধু কলকাতাতেই একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২১১ জন।

সংক্রমণের নিরিখে কলকাতাই রাজ্যে প্রথম। শহর কলকাতার পরেই দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৮০১ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৫২২ জন। হাওড়া ও হুগলি-সহ একাধিক জেলায় ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩৫৩ জন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১০ হাজার ৬০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

করোনাকালেও পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছিল রাজ্যে। এতদিন কোভিড প্রোটোকল মেনেই চলছিল স্কুল। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার নিতে শুরু করেছে। তাই আর ঝুঁকি নিতে চায় না রাজ্য় সরকার। তড়িঘড়ি এগিয়ে আনা হল গরমের ছুটি। আজ থেকেই স্কুলে গরমের ছুটি পড়ে গেল।

জুন মাস পর্যন্ত স্কুলে গরমের ছুটি চলবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে, আগামী ১ জুন থেকে রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল। স্কুলে এই ছুটির ঘোষণার ফলে মাধ্যমিক পরীক্ষার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাধ্যমিক পরীক্ষা কবে হবে সেব্যাপারে স্পষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি। এখনও উচ্চমাধ্যমিকের সূচিও জানানো হয়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.