স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কোভিড বিধি মেনেই শুরু হল মাধ্যমিকের প্রস্তুতি৷ এবার পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা বাড়িয়ে ৪২০০ করা হচ্ছে৷ পর্ষদের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যথাযথ দূরত্ব রেখেই বসার ব্যবস্থা করা হবে৷ আট ফুটের বেঞ্চ হলে একটি বেঞ্চের দু’ প্রান্তে দু’ জন পরীক্ষার্থী বসবে৷ আর ৬ ফুটের বেঞ্চ হলে একজন করে পরীক্ষার্থীকে বসানো হবে৷ ঘরের সাইজের উপর নির্ভর করবে কতজন ছাত্র ছাত্রী সেই ঘরে বসবেন। তবে প্রত্যেকটি পরীক্ষাকেন্দ্রে দুশো থেকে আড়াইশো জন ছাত্র-ছাত্রী পরীক্ষা দিতে আসবে। করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে শিক্ষক-শিক্ষিকারা গ্লাভস পরে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশ্নপত্র দেবেন।

আরও পড়ুন: ‘ভোটের পর লকডাউন করবে কেন্দ্র’, দাবি অভিষেকের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে বেসামাল গোটা দেশ৷ রাজ্যেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। পড়ুয়াদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে এতদিন কোভিড প্রোটোকল মেনেই নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হয়েছিল রাজ্যে। তবে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যে হারে রাজ্যের করোনা সংক্রমণ বাড়ছে তাই আর ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার থেকেই স্কুলে গরমের ছুটি ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: ‘৬৪ শতাংশ ভ্যাকসিন বিদেশে পাঠিয়েছেন’, মোদীকে তোপ মমতার

রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া হেল্থ বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৬ লক্ষ ৬৮ হাজার ৩৫৩ জন। রাজ্যে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৪২৬ জন। সংক্রমণের নিরিখে কলকাতাই রাজ্যে প্রথম। শুধু কলকাতাতেই একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ২১১ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।  স্কুল ছুটির এই ঘোষণায় মাধ্যমিক পরীক্ষার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে গেল বলেই অনেকে মনে করছে। তবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রে খবর, মাধ্যমিক পরীক্ষা স্থগিত হবে বা পিছিয়ে যাবে বলে কোনও বার্তা স্কুল শিক্ষা দফতর বা রাজ্য প্রশাসনের থেকে তারা পায়নি৷ আগামী ১ জুন থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা৷ যেহেতু ১৩ লক্ষেরও বেশি পরীক্ষার্থী এবার মাধ্যমিক দেবে, তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে পর্ষদকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.