মধ্যমগ্রাম: বিদ্যুতের মিটারের মতোই এবার জলের মিটার। অপচয় রুখতে এবার বাড়িতে বাড়িতে জলের মিটার বসাচ্ছে মধ্যমগ্রাম পুরসভা। প্রতিটি বাড়িতে প্রতিদিন কত জল ব্যবহার করা হচ্ছে মিটার বসিয়ে তারই হিসেব নিচ্ছে পুরসভা। মিটার দেখে একাধিক বাড়িতে জলের অপচয় নিয়ে সতর্ক করছেন পুর-আধিকারিকরা। পুর কর্তৃপক্ষের দাবি এই উদ্যোগের জেরে শুরু থেকেই সফলতা মিলছে।

জলের অপচয় এখন রীতিমতো আতঙ্ক বাড়াতে শুরু করেছে। একাধিক সংস্থা জলের অপচয় রোধে সতর্ক করতে শুরু করেছে। ক্রমেই ফুরিয়ে যাচ্ছে ভূগর্ভস্থ জলের ভাণ্ডার। অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে জলের ব্যবহার ক্রমেই ফাঁকা করে দিচ্ছে ভূগর্ভস্থ জলের ভাণ্ডার। আর তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে মধ্যমগ্রাম পুরসভা। জলের অপচয় রোধে পুর এলাকার সব বাড়িতে জলের মিটার বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্যমগ্রাম পুরসভা। ইতিমধ্যে মধ্যমগ্রাম পুর এাকার সাড়ে সাত হাজার বাড়িতে জলের মিটার বসানো হয়েও গিয়েছে।

জলের মিটার বলে দিচ্ছে একটি বাড়ি দৈনিক কত জল ব্যবহার করছে। মিটারের রিডিং বলে দিচ্ছে কোথায় কত জলের ব্যবহার হচ্ছে। অপচয় বেশি হলেই পুরসভা থেকে সংশ্লিষ্ট বাড়িকে সতর্ক করা হচ্ছে। মধ্যমগ্রামে মোট ২৮টি ওয়ার্ড। পুর এলাকায় বাসিন্দার সংখ্যা আনুমানিক এক লক্ষ ৯৬ হাজার ৩১১। ৩০ হাজারেরও বেশি বাড়িতে গঙ্গার পরিশুদ্ধ জল পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। পরিবার পিছু পাঁচ সদস্য ধরে মাথাপিছু জলের হিসেব ধরা হয়েছে ১৩৫ লিটার। একটি পরিবারের দৈনিক ৬৭৫ লিটার জল লাগবে ধরে নিয়েছে পুরসভা।

জলের মিটারের রিডিং বলে দিচ্ছে কোথায় কত জলের ব্যবহার হচ্ছে। জলের মিটার বসিয়ে অপচয় অনেকটাই রোধ করা গিয়েছে বলে জানিয়েছে মধ্যমগ্রাম পুরসভা কর্তৃপক্ষ। এমনকী আগামী দিনে মধ্যমগ্রামের রাস্তার কলেও জলের অপচয় রুখতে মিটার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।