মধ্যমগ্রাম: কলকাতা লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনা জেলাজুড়ে বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলছে। মধ্যমগ্রামেও ক্রমেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবার আরও তৎপরতা মধ্যমগ্রাম পুরসভার। একটি বেসরকারি হলে ৪০ শয্যাবিশিষ্ট সেফ হোম তৈরি করেছে মধ্যমগ্রাম পুরসভা।

মধ্যমগ্রামে ৩৪ নং জাতীয় সড়কের ধারে পুরসভার উদ্যোগে তৈরি হওয়া এই সেফ হোমের কুড়িটি শয্যা পুরুষদের এবং কুড়িটি শয্যা মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। মূলত মৃদু উপসর্গ থাকা করোনা রোগীদেরই এই সেফ হোমে এনে রাখা হবে।

সেফ হোমে থাকাকালীন ২৪ ঘণ্টা আক্রান্তদের ওপর নজর রাখা হবে। ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসকরা আক্রান্তদের স্বাস্থ্যের প্রতি নজর রাখবেন। সেফ হোমে হঠাৎ কোনও রোগী যদি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তবে তৎক্ষণাৎ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তিরও ব্যবস্থা করা হবে।

মধ্যমগ্রাম পুরসভার উদ্যোগে তৈরি হওয়া এই সেফ হোমে রোগীদের প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র থেকে শুরু করে খাবারের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। গোটা রাজ্যেই ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। প্রতিদিন ৩ হাজারের কাছাকাছি সংখ্যা মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন রাজ্যজুড়ে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও।

নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে লাগাম টানতে ঘুম ছুটেছে প্রশাসনের। বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ৪ হাজার ৩২৬। রাজ্যে করোনা মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ২০৩। এখনও পর্যন্ত ৭৬ হাজার ১২০ জন করোনামুক্ত হয়েছেন।

রাজ্যের একাধিক জেলায় করোনার সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। অধিকাংশ আক্রান্তের মৃদু উপসর্গ থাকছে। মৃদু উপসর্গ থাকা করোনা রোগীদের জন্যই সেফ হোম তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি এলাকায় সেফ হোম তৈরিও হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও