ফাইল ছবি

লখনউ: বড়সড় সেক্স-র‍্যাকেটের পর্দাফাঁস করল পুলিশ। মীরঠের একটি বাড়িতে হঠাত হানা দিয়ে মধচক্রের আসর ফাঁস করে পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকেই হাতেনাতে দুই মহিলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কয়েকজন গ্রাহককেও। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনও বড় চক্র কাজ করছে কিনা তা জানার চেষ্টা করছে। বিশেষত নারী পাচারচক্রের কোনও খোঁজ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

পুলিশ সূত্রে খবর, মীরঠের নংলাতশি এলাকায় একজন মহিলাকে বাড়ির জন্য ভাড়া দেওয়া হয়। প্রথমদিকে জানা যায় জমি লেনদেন সংক্রান্ত ব্যবসা চালানোর জন্যে এই বাড়ি ভাড়া নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পরে দেখা যায় ওই বাড়িতে ক্রমশ অপরিচিতদের ভিড় বাড়ছে। এমনকি মহিলা-পুরুষদের আনাগোনা লেগেই থাকত বলে অভিযোগ জানায় স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকেও এই বিষয়ে জানানো হয়। সেই মতো ওই বাড়ির উপর নজরদারি বাড়ায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।

হঠাত করে আজ বুধবার সেই বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। ঘরে ঢুকতেই চক্ষুচড়ক পুলিশ আধিকারিকদের। দেখা যায় সেখানে অবাধে চলছে মধুচক্র। কার্যত আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রমরমা কারবার। ঘটনাস্থল থেকে হাতেনাতে দুই মহিলা সহ বেশ কয়েকজন যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে সেক্স-র‍্যাকেটের মূল পান্ডার খোঁজ পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, ঘটনার পর থেকে পলাতক সে। তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। আগামিদিনে এমন অভিযান আরও চলবে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.