ফাইল ছবি

বেঙ্গালুরু:  হাইটেক ভাবে মধুচক্র চালানোর বড়সড় চক্র ফাঁস করল পুলিশ। কাস্টমারদের মহিলা বাছাই থেকে পেমেন্ট সবকিছুই চলত প্রযুক্তির সাহায্যে। কিন্তু এতকিছু করেও শেষ রক্ষা হল না। গোপন সূত্রে হানা দিয়ে বড়সড় মধুচক্রের আসর ভাঙল পুলিশ।

ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা রীতিমত অবাক! কারণ পুরো চক্রটাই চলত বেঙ্গালুরু পুলিশের এক হেডকনস্টেবলের অঙ্গুলি হেলনে। ইতিমধ্যে পারাপ্পানা অগ্রহারা থানার অপরাধ দমন শাখার কর্মী ওই কনস্টেবল কারিবাসপ্পাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে পুরো ঘটনার পিছনে কেউ যুক্ত আছে কিনা তা জানার চেষ্টা করছেন পুলিশ আধিকারিকরা।

 

পুলিশ সূত্রে খবর, কিছুদিন ধরে বেঙ্গালুরুর মাইকো লেআউট থানার একটি বাড়িতে মধুচক্র চালানোর অভিযোগ আসছিল পুলিশের কাছে। সেই মতো গত কয়েকদিন আগে ওই বাড়িতে হানা দেন পুলিশ আধিকারিকরা। হাতেনাতে ওই বাড়ি থেকে তিন মহিলা সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেইসঙ্গে কয়েকটি সোয়াইপ মেশিন ও প্রচুর পরিমাণ নগদ টাকাও বাজেয়াপ্ত হয়। ধৃতদের জেরা করে ওই পুলিশকর্মীর খোঁজ পান তদন্তকারী আধিকারিকরা। এরপরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রতীকী ছবি

পুলিশ জানিয়েছে, এভাবে দেহব্যবসা চক্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন ওই কনস্টেবল। এই চক্রের দুই দালালের কাছ থেকে তিনি মুনাফার টাকাও নিতেন। বেঙ্গালুরু পুলিশ থেকে তাক বরখাস্ত করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।