কলকাতা:  আগে চোখে পড়েনি। আজ শুক্রবার তা চোখে পড়তেই মেজাজ হারালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নেত্রীর নজর কাড়তে শহরের বিভিন্ন আনাচে-কানাচে দাদার মুক্তির দাবিতে পোস্টার-হোডিং লাগিয়ে ছিল তাঁর অনুগামীরা। গত একমাস ধরে শহরের বিভিন্ন জায়গায় থাকা পোস্টারগুলি কার্যত সবার নজর কেড়েছিল। কিন্তু নেত্রী মমতার নজর পড়েনি। শেষমেশ যখন পড়ল তা দেখে মেজাজ হারালেন দিদি। গুটিয়ে ফেলতে বলা হল সেই ব্যানার।
ময়দানে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে আজ শুক্রবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমাবেশে কামারহাটির একদল ছাত্র একটি ব্যানার তুলে ধরেন। সেই ব্যানারের বাঁ দিকে মদন আর ডান দিকে তৃণমূল নেত্রীর ছবি। ব্যানারটি ‘কামারহাটি শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদে’র। আর তা দেখেই বিরক্ত হন মঞ্চে বসা মমতা। অস্বস্তিতে পড়েন অন্য নেতারাও। এর পরেই ছাত্র সংগঠনের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি শঙ্কুদেব পণ্ডা ও তাঁর কয়েকজন সঙ্গী ভিড় ঠেলে ওই ব্যানার যারা তুলে ধরেছিল তাদের দিকে এগিয়ে যান। এরপরেই ব্যানারটি গুটিয়ে ফেলা হয়। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই তা গুটিয়ে ফেলতে বলা হয় বলে জানা যায়। কিন্তু প্রশ্ন হল, ওই ব্যানার তো খোলা হল। কিন্তু শহরের আনাচে-কানাচে থাকা পোস্টারগুলি কি হবে?

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।