স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ফিরদৌসের পর বাংলাদেশের আরও এক অভিনেতা গাজি নূর বিতর্কের শিরোনামে৷ রানি রাসমণি ধারাবাহিকের সুবাদে ইতিমধ্যেই জনপ্রিয় পরিচিত মুখ নূর৷ গত কয়েকদিন আগে তৃণমূলের প্রচারে দেখা যায় গাজি নূরকে। দমদম লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়ের প্রচারে এই অভিনেতা ছিলেন বলে জানা যায়৷ তাছাড়া তাঁর ভিসার মেয়াদও শেষ হয়ে গিয়েছিল৷ ঘটনার তদন্ত করে আজই তাঁকে দ্রুত ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় সরকার।

এদিকে, সৌগত রায়ের প্রচারে উপস্থিত ছিলেন মদন মিত্রও৷ বৃহস্পতিবার নূরের দেশ ছাড়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি নূরকে দেশ ছাড়তে বলায় আমি ব্যাথিত । ও আমার ছোট ভাইয়ের মত । দেশের নির্বাচন কমিশনের বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রোষানলে ওকে পড়তে হবে বুঝতে পারিনি । আমার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী ছিল কয়েকদিন আগে ওইদিন আমার যা কষ্ট হচ্ছিল, তার থেকেও বেশি কষ্ট পাচ্ছি নূরকে দেশ ছাড়তে হবে এটা ভেবে ।’

তিনি আরও বলেন, ‘ও প্রার্থীর প্রচারে আসেনি । খাতায় কলমে সৌগত রায় তখন প্রার্থী হবেন, যখন উনি মনোয়ন পত্র জমা দেবেন । উনি এখনো নিজের মনোনয়নপত্র জমা দেননি । তবে এটা আমার কাছে বড় শিক্ষা হল । আমি বড় শিক্ষা পেলাম । দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বা নির্বাচন কমিশন সম্পর্কে আমার কিছুই বলার নেই । ওদের বিষয়ে আমি কিছু বলব না ।’

উল্লেখ্য, এর আগে রায়গঞ্জ লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী কানহাইয়ালাল আগরওয়ালের সমর্থনে প্রচারে অংশ নেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেতা ফিরদৌস। কীভাবে বিদেশে হয়েও রাজনৈতিক দলের প্রচারে অংশ নিতে পারে ফিরদৌস তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিরোধীরা। ফিরদৌসের পাশাপাশি নূরের প্রচারের ভিডিওটি কমিশনকে দেয় বিজেপি। দুটি ক্ষেত্রেই কেন্দ্রীয় সরকার তদন্ত করে। কিন্তু এর মধ্যে ফিরদৌসকে রাতারাতি বাংলাদেশে ফেরার নির্দেশ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার। এরপরেই নূরকে ভারতকেও ছাড়ার নির্দেশ দেয় মন্ত্রক৷