হাবড়া : “ভোটের দিন বুথ দখল করতে আসলে হাত-পা ভেঙে চুরমার করে দেবেন।” শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়ায় দলীয় জনসভায় অংশ নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে এমনই হুংকার দিলেন তৃণমূল নেতা মদন মিত্র।

এদিন তিনি বলেন, ”ভোটের দিন বিজেপির বহিরাগত দুষ্কৃতীরা গায়ের জোরে বুথ দখল করতে এলে শুধু হাতের কবজি নয়, হাত থেকে পা ভেঙে চুরমার করে দেবেন। তাতে কেস দিলে দেবে।”

তাঁর আরও সংযোজন, ”মা-বোনেদের উদ্দেশে বলছি, ভোটের দিন আপনি হাতা-খুন্তি নিয়ে ভোট দিতে যাবেন। খালি হাতে কেউ ভোট দিতে যাবেন না।”

এদিন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী বিজেপির উদ্দেশে হুমকি দিয়ে আরও বলেন, ”কয়েকদিন পরেই ভোট ঘোষণা হবে। তারপর খেলা শুরু হবে। তোমরা যেখান থেকে মাল নেবে, আমরাও সেখান থেকে মাল নেব। তোমাদেরগুলো ফুটবে না। শুধু ধোঁয়া বেরোবে। ফুটবে আমাদেরগুলো।”

এদিকে তৃণমূলে যোগ দিলেন বিজেপি-র SC মোর্চার দুই নেতা দীপক রায় এবং সুব্রত রায়। শনিবার তৃণমূল ভবনে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ওই দুই নেতার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। এদিন তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেন দীপক রায়। তাঁর কথায়, ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের নাম করে প্রতিটি রাজ্যে ভাঁওতাবাজি করেছে। কালিরামের সমস্ত ঢোল ধীরে ধীরে ফাটাব।’

কিছুদিন আগেই বনগাঁতে মতুয়াদের জনসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, দেশে টিকাকরণ কর্মসূচি সম্পন্ন হলেই নাগরিকত্ব আইন কার্যকর হবে। দীপক রায় বলেন, ‘তৃণমূলের বাতাস মুক্ত। যাঁরা নিজেরা দূষিত তাঁদেরই এখানে দম বন্ধ লাগছে। তাই দূষিত বাতাস গ্রহণ করতে বিজেপি-তে চলে যাচ্ছে। বাংলার সংস্কৃতি লুঠ হচ্ছে।’

পার্থ চট্টোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের রথে ধীরে ধীরে সকলেই সামিল হচ্ছেন। এই দুই নেতাও তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাংলার মানুষের উন্নয়নের লক্ষ্যে তাঁরা তৃণমূলে আগামীদিন কাজ করবেন।’

তফশিলী জাতি,উপজাতির মানুষের ভোট চলতি বছরে হতে চলেছে সরকার গঠনের নির্ণায়ক। এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক দলগুলি৷ একদিকে ক্ষমতা দখলে মরিয়া গেরুয়া শিবির রাজ্যে আদিবাসী-তফসিলি-মতুয়া ভোটব্যাঙ্ককে টার্গেট করেছে। অন্যদিকে, গোটা বাংলায় তাই তফশিলী জাতি, উপজাতিদের ভোট রাখতে লড়াই চালাচ্ছে শাসক দল তৃণমুল কংগ্রেস৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.