স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লাইভে মদন৷ সঙ্গে সঙ্গে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার৷ বেসরকারি হাসপাতালে আহত তৃণমূল কর্মীদের দেখতে গিয়েও নিজেকে ফেসবুক লাইভ থেকে সরিয়ে রাখতে পারলেন না তিনি৷ এবার ফেসবুকে বিস্ফোরক তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্র৷ বিজেপিকে সারমেয়-এর সঙ্গে তুলনা করলেন তিনি৷

তৃণমূল নেতা মদন মিত্র বেলঘরিয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে যান আহত তৃণমূল কর্মীদের দেখতে৷ অভিযোগ, বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপির কর্মী সমর্থকরা তাদেরকে মারধর করেছে৷ ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার নিউ বারাকপুর আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র কলেজে৷ এদিন এবিভিপির ডেপুটেশান জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও এবিভিপির প্রতিনিধিদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামাতে হয় RAF৷

ফেসবুক লাইভে মদন বলেন, বিজেপিকে পশ্চিমবঙ্গে সারমেয়ের সঙ্গে তুলনা করার জন্য আমার কোনও লজ্জা নেই৷ যে বিজেপি বলতে পারে ওরা সব চামচা বুদ্ধিজীবী, সে বিজেপিকে সারমেয় ও বরাহ বললেও ভুল বলা হবে না৷ আর এপিসি কলেজে গন্ডগোলের জন্য তিনি আরএসএস করা বিজেপি কর্মীদেরই দায়ী করেন৷ এমনকি গন্ডগোলের কয়েক ঘন্টা আগে এক বিজেপি ছাত্রনেতার ফেসবুক পেইজে লিখেছে, আজ এপিসি কলেজে শুধু ছক্কা মারব৷ তার মানে ওরা মারার জন্যই কলেজে এসেছিল৷

সোমবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ একাধিক দাবি নিয়ে এপিসি কলেজের অধ্যক্ষের কাছে ডেপুটেশান জমা দিতে যায় বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপির কর্মী সমর্থকরা। দাবিগুলির মধ্যে ছিল এবিভিপির প্রতিনিধিদের উপর হামলা, ছাত্র ভর্তিতে দূর্নীতি, কাটমানি ইস্যুতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ৷ অভিযোগ, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) ডেপুটেশন দিয়ে যখন অধ্যক্ষের ঘর থেকে বেরিয়ে আসে, সেই সময় পুলিশের সামনেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদ ও এবিভিপির প্রতিনিধিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে৷ ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে খবর৷ পরে উভয় তরফেই নিউ বারাকপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উত্তেজনার জেরে কলেজ চত্বরে পুলিশ পিকেট বসানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.