ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি: শুক্রবারেই আকাশে ২০২০-এর দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই চন্দ্রগ্রহণের সাক্ষী থাকতে পারবে সাধারণ মানুষ। প্রায় ৩ ঘন্টা ১৮ মিনিট ধরে চলবে এই গ্রহণ।

তবে অন্য সময়ের সঙ্গে চাঁদে এই গ্রহণের পার্থক্য খালি চোখে বিশেষ বোঝা যাবে না। কারণ এটি একটি উপচ্ছায়া গ্রহণ। যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝে পৃথিবী চলে আসলেও তারা একই সরলরেখায় থাকে না, তখন বলা হয় চাঁদের উপচ্ছায়া গ্রহণ৷ এই গ্রহণে চাঁদ অন্ধকার হয়ে যায় না, কেবলমাত্র মনে হবে চাঁদের ওপর আচ্ছাদন পরে রয়েছে, ফলে কিছুটা ফ্যাকাশে দেখাবে চাঁদকে।

ভারতীয় সময় অনুসারে শুক্রবার রাত ১১টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হবে গ্রহণ। চলবে রাত ২ টো ৩৪ পর্যন্ত। এসময় অধিকাংশ ভারতই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। ভারত ছাড়াও ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা ও রাশিয়া থেকে এই গ্রহণ দেখা যাবে।

বৈজ্ঞানিকরা জানিয়েছেন, খালি চোখেই দেখা যাবে এই গ্রহণ। তাতে চোখে কোনও ক্ষতি হবে না। ১২ টা ৫৪ নাগাদ চাঁদের ওপর গ্রহণের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে চন্দ্রগ্রহণ হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারির মাসে। সেটিও ছিল উপচ্ছায়া গ্রহণ। এবারেও তাই। এরপরের চন্দ্রগ্রহণ হবে ৫ জুলাই। চতুর্থ এবং শেষ চন্দ্রগ্রহণ হবে ৩০ নভেম্বর। তবে এবছরেই হয়েছে পিংক ফুল মুন এবং ফ্লাওয়ার ফুল মুন।

উল্লেখ্য, চন্দ্রগ্রহণ হয় সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক কারণে। একথা এখন বহুল প্রচলিত হলেও অনেক প্রতন্ত জায়গায় আজও গ্রহণ নিয়ে কুসংস্কার প্রচলিত আছে। অনেকেই এসময় খাবার ফেলে দেন, কেউ আবার এতে পৌরাণিক অস্ত্বিতের চরিত্রকে বিশ্বাস করেন।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ