কলকাতা: বিজেপির চা-চক্রে (tea party)পুরস্কারের টোপ৷ যোধপুর পার্কে দিলীপ ঘোষের চায়ের আসরে ‘লাকি ড্র'(Lucky draw)এর মাধ্যমে পুরস্কার দেওয়া হয়৷ কটাক্ষ তৃণমূলের৷

আজ,বুধবার সকালে যোধপুর পার্কে ছিল দিলীপ ঘোষের( Dilip Ghosh) চা-চক্র আয়োজিত হয়৷ সেখানে লাকি ড্রয়ের মাধ্যমে বিজেতাকে বেছে নেওয়া হয়৷ তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় বিভিন্ন আলোর পুরস্কার৷ কুপনের একদিকে লেখা-বদল হবে, হাল ফিরবে, এবার ২০০ পার। অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্র এবং দিলীপের চা-চক্রের ছবি দেওয়া ছিল৷ পুরস্কারের বাইরের প্যাকেটেও বিজেপির প্রতীক দেওয়া ছিল বলে অভিযোগ৷

চা-চক্রে পুরস্কারের টোপ প্রসঙ্গে কটাক্ষ তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh)৷ তিনি বলেন, বিজেপির জনসভা, বৈঠক – কোথাও লোক হচ্ছে না৷ তাই লাকি ড্রয়ের টোপ দিয়ে লোক ডেকে আনা হচ্ছে। এটা সার্কাস চলছে৷

তবে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাননি দিলীপ ঘোষ। সংবাদমাধ্যমের উত্তরে লাকি ড্রয়ের উদ্যোক্তা জানালেন,যারা চা-চক্রে এসেছিলেন,তাদের কুপন বিলি করা হয়েছে। বিজেতাদের আলো বিলি করা হচ্ছে৷

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয় ‘চায়ে পে চর্চা’ – এর মতোই একই ধরণের কার্যক্রম করে জনসংযোগ ধরে রাখতে চাইছে বিজেপি। রাজ্য সভাপতি হিসাবে দিলীপ ঘোষ অনেক জায়গাতেই চা চক্রে গিয়েছেন। বিজেপির কথা মানুষকে বলেছেন। চা-চক্রে গিয়ে তিন আক্রান্তও হয়েছে। বেশ কয়েকবার তাঁর গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। তাতে দিলীপের বক্তব্য ছিল, তার উপর আক্রমণ হলে কর্মীরা প্রতিবাদ করেন। তাতে তাদের মনোবল বাড়ে।

অন্যদিকে গত কয়েকদিন ধরেই ‘খেলা হবে’ স্লোগানে উত্তাপ বাড়ছে রাজ্য রাজনীতিতে৷ বিশেষ করে বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল বলেছেন ‘খেলা হবে, ভয়ঙ্কর খেলা হবে’। অনুব্রতকেই পাল্টা দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দলীপ ঘোষ৷ খড়গপুরে দলের চা-চক্রের কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ সেখানেই শাসকদল তৃণমূলকে বিঁধে তিনি বলেন, ‘‘স্ট্রাইকার, ডিফেন্ডার সব আমাদের দলে এসে গেছে৷ এবার খেলা তো আমরাই দেখাব৷’’

বীরভূমে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার সভায় লোক কম হয়েছে বলে দাবি করে বিজেপিকে খোঁচা দেন অনুব্রত মণ্ডল৷ অনুব্রতকে তারই পাল্টা দিলেন এবার দিলীপ ঘোষ৷ খড়গপুরে দলের চায়ে পে চর্চা শীর্ষক কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও৷

তিনিও তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন৷ একইসঙ্গে নাড্ডার রোষের মুখে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ তিনি বলেছিলেন, ‘পিসি-ভাইপোর গুণ্ডামি চলছে রাজ্যে৷ এবারের ভোটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চলে যেতে হবে৷ মা-মাটি-মানুষের সরকারকে মানুষ বিশ্বাস করে ঠকেছে৷ তৃণমূলের গুণ্ডামি, তোলাবাজিতে মানুষ অতিষ্ট৷ রাজ্যবাসীর জন্য কিছু করেনি এই সরকার৷’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.