লখনউ : উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের হজ হাউসকে পরিণত করা হবে কোভিড সেন্টারে। জেলা শাসক অভিষেক প্রসাদ বুধবার এই তথ্য সংবাদমাধ্যমকে দেন। লখনউয়ের সরোজিনী নগর এলাকায় অবস্থিত এই হজ হাউস। হজ যাত্রীরা তাঁদের যাত্রা শুরু করার আগে এখানে বিশ্রাম নেন।

জেলা শাসক জানান, হজ হাউসের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা হয়েছে। করোনা কেয়ার সেন্টার গড়ে তোলার উপযুক্ত পরিকাঠামো রয়েছে, ফলে এই ভবনটিকেই সেন্টার হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

একটি ট্যুইট বার্তায় জেলা শাসক জানান, এই করোনা কেয়ার সেন্টারে ১০০০টি শয্যার ব্যবস্থা করা হবে। কোভিড সেন্টারের সব ধরণের নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লখনউ মিউনিসিপ্যাল জোনাল অফিসারকে গোটা ব্যবস্থার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেন্টারটি যাতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে, তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোগিদের যাতে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হয়, সেই ব্যবস্থাও করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এদিকে, গোটা দেশের করোনা পরিস্থিতি ক্রমশই তলানিতে ঠেকেছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে দেশে ২২ হাজার ৭৫২ জন নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে মৃত্যু হয়েছে আরও ৪৮২ জনের। গোটা দেশে বুধবার সকাল পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৪১৭। দেশে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ২০ হাজার ৬৪২।

লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ হাজারের কাছাকাছি মানুষ নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন। একদিকে যেমন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে অন্যদিকে সুস্থও হচ্ছেন অনেকে। বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গোটা দেশে এখনও পর্যন্ত করোনামুক্ত হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮৩১ জন। এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৪৪টি।

মহারাষ্ট্রেই দেশের মধ্যে সর্বাধিক সংক্রমণ। বুধবার সকাল পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মহারাষ্ট্রে নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ লক্ষ ১৭ হাজার ১২১। সেরাজ্যে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৯ হাজার ২৫০।

সংক্রমণের নিরিখে দেশে তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজধানী দিল্লি। লাগামছাড়া সংক্রমণে ঘুম ছুটেছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকারের। দিল্লিতে বুধবার সকাল পর্যন্ত নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ১ লক্ষ ২ হাজার ৮৩১। রাজধানীতে করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৩ হাজার ১৬৫।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।