নয়াদিল্লি: প্রায় এক মাস অতিক্রান্ত, কিন্তু লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এখনও মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে ভারত এবং চিনের সেনাবাহিনী। চিন যে বেশ ভালো সংখ্যক সৈন্য পাঠিয়েছে লাদাখ সীমান্তে সেকথা স্বীকার করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

কূটনৈতিক স্তরে ভারত এবং চিনের মধ্যে কথাবার্তা হচ্ছে বলে আগেই জানিয়েছিল কেন্দ্র। এবার দুই দেশের লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্তরে কথা হবে বলে জানা গিয়েছে। আগামী ৬ জুন কথা বলবেন দুই দেশের আর্মি অফিসার।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্তরের এই বৈঠক থেকেই অনুমান করা যাচ্ছে, যে ভারত এবং চিনের কর্নেল, ব্রিগেডিয়ার এবং মেজর জেনারেল স্তরে বৈঠক হলেও তা ফলপ্রসূ হয়নি। কোনভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসেনি ভারত-চিন সংঘাত।

মঙ্গলবার সকালে পরিস্থিতি দেখতে লাদাখে ঘুরে এসেছেন নর্দার্ন আর্মি কমান্ড চিফ লেফট্যান্যান্ট জেনারেল ওয়াই কে জোশি। সঙ্গে ছিলেন লে-র ১৪ কর্পস কমান্ডার লেফট্যানেন্ট জেনারেল হরিন্দর সিং ও অন্যান্য আর্মি অফিসারের। সূত্রের খবর মেজর জেনারেল স্তরে একটি বৈঠক হয়েছে মঙ্গলবারই। কিন্তু তার থেকেও কোনো সমাধান সূত্র বেরোয়নি, তাই আগামী ৬ জুন লেফট্যানেন্ট জেনারেল হরিন্দর সিং কথা বলবেন চিনের আর্মি অফিসারের সঙ্গে।

এদিকে, মঙ্গলবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, বেশ ভাল সংখ্যক চিনের সেনা এগিয়ে এসেছে পূর্ব লাদাখের দিকে। যা চিন্তার বিষয় হলেও ভারতীয় সেনারা তৈরি রয়েছে সবধরণের পরিস্থিতির জন্য।

সেনা সূত্রে খবর, লাদাখ সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার ওপারে চিন যুদ্ধাস্ত্র মজুত করছে। দিনে-দিনে সেইসব সমরাস্ত্রের বহর বাড়ানো হচ্ছে। একইসঙ্গে সীমান্তে সেনা গতিবিধিও লক্ষ্যণীয়ভাবে বাড়াচ্ছে বেজিং। চিনা গতিবিধি তৎপর হতেই পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে ভারতও।

লাদাখ তো বটেই এমনকী সিকিমেও চিন সীমান্ত বরাবর বাড়তি সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ইন্দো-চিন সীমান্তে গত কয়েকদিন ধরেই টানটান উত্তেজনা রয়েছে। রাজনাথ এদিন বলেন দুই দেশের উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিকদের মধ্যে ৬ই জুন বৈঠক করা হবে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প