কলকাতা: রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের সঙ্গে বসবাস। তাই সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের জীবন ও জীবিকা নির্বাহের জন্য থাকে একাধিক প্রাণের ঝুঁকি। সংরক্ষিত এলাকা থেকে কাঠসংগ্রহ করা নিত্যনৈমিত্তিক কাজই বলা যায়। জঙ্গলে না নেমে, মাছ ধরার নৌকোতেই রান্নার ব্যবস্থা করার জন্য ওভেন সহ গ্যাস সিলিন্ডার বিতরণ করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের।

ঘন জঙ্গলে দক্ষিণরায়ের বাস। সন্ধের পর রান্নার তোড়জোড় করতে কাঠ জোগাড় করে মৎস্যজীবীরা কখন বাঘের হামলার শিকার হয়ে যান তাঁরা, বুঝতেও পারেন না। তাই তাঁদের সুরক্ষার কথা ভেবে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মুখ্য ওয়ার্ডেন রবিকান্ত সিনহা জানিয়েছেন, ১০০টি এলপিজি সহ গ্যাসওভেন মৎস্যজীবীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। যত বেশি মানুষের মধ্যে এই কাজ করা সম্ভব গ্যাসস্টোভ দেওয়া হবে।

উত্তর-চব্বিশ পরগণা জেলার বসিরহাট ব্লকে পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ১০০টি বিতরণ করা হবে। “এই উদ্যোগ কতটা সফল হচ্ছে সেই ভিত্তিতে আমাদের আরও বেশি মৎস্যজীবীদের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার ভাবনা আছে। একটি সিলিন্ডার মোটামুটি ১২ দিন যায়, একটি ট্রিপে যতটা সময় লাগে”।

মাছ ধরতে বেরনোর সময় নৌকায় এই সিলিন্ডার থাকলে, সেখানেই সময় সুযোগমতন রান্নাবান্না করতে নিতে পারবেন মৎস্যজীবীরা, পাশাপাশি কিভাবে ব্যবহার করতে হবে সে বিষয়েও বিস্তারিত কথা হয়েছে। সহজে রান্নার সরঞ্জাম পেয়ে তাঁরা খুশি তো বটেই, কিছুটা নিশ্চিন্তও।

শেষ দু’মাসে বেশকিছু মানুষ বাঘের পেটে চলে গিয়েছে। সুন্দরবনের কুমিরমারি, দেউলবাড়ি এলাকায় সাধারণত জঙ্গলে কাঠ আনতে যায়। উভয়ক্ষেত্রেই আধখাওয়া দেহ পাওয়া যায়, সেইদিকে নজর দিয়ে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, করোনা লকডাউনে মন ভালো করে দিল শিলা। উত্তরবঙ্গের বিখ্যাত বেঙ্গল সাফারি ঘিরে আনন্দের হাওয়া বইছে। বুধবার সকালে তিন শাবকের মা হয়েছে শিলা।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও