নয়াদিল্লি : আমফান কিছুটাই হলেও তার তীব্রতা হারিয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। এটি ৬ মে আছড়ে পড়ার কথা ছিল সমতলে। কিন্তু তার গতিরুদ্ধ হয়েছে। দিনক্ষণ, স্থান অনেকটাই পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে বলা জানা যাচ্ছে।

সাগরেই এই ঝড় অত্যন্ত শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে, কিন্তু এর ভূমিতে আছড়ে পড়ার সময় পিছিয়ে গিয়ে হয়েছে ১৩–১৪ মে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ট্রপিক্যাল মেটেরোলজি, পুণে এবং ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিডিয়াম রেঞ্জ ওয়েদার ফোরকাস্টিংয়ের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন ভারতীয় উপকূলে এই ঝড় আসবে ১২ মে, তারপর উত্তর ও উত্তর পূর্ব দিকে সরে গিয়ে ১৩ মে মায়ানমারের ভূমিতে আছড়ে পড়বে।

বরং দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ পরের দিকে ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে। ওড়িশা অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হানতে পারে। তবে এর নিশ্চয়তা নিয়ে কিছু জানায়নি মৌসম ভবন। এটাই মূলত আমফানকে ভারত ভূমিতে তাণ্ডব চালানোর পরিকল্পনাকে সরিয়ে দিয়েছে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।

এদিকে, সমুদ্র থেকে আসা প্রচুর জ্বলীয় বাষ্প রাজ্যের দিতে পারে বৃষ্টি। মঙ্গল ও বুধবার বৃষ্টি ও ঝড়ের দাপট থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কালবৈশাখীও হতে পারে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৭৭ শতাংশ, সর্বনিম্ন ৬৬ শতাংশ। বৃষ্টি হয়েছে ছিটেফোঁটা। এর ফলেই গুমোট আবহাওয়া রয়েছে কলকাতায়। যা বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে অল্প বিস্তর ঝড় বৃষ্টি দিতে পারে শহরে।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।