নয়াদিল্লি: করোনা অতিমারীর বিরুদ্ধে কার্যত লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে গোটা বিশ্ব। একাধিক দেশ এই মুহূর্তে এই ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরি করার কাজে ব্যস্ত। বিশেষজ্ঞরা ততদিন পর্যন্ত মাস্ক ব্যবহার করার অনুরোধ করছেন সাধারণকে। এই অবস্থাতে এন৯৫ মাস্ক নিয়ে সামনে এল এক নয়া তথ্য। যার ফলে আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন গবেষকেরা।

জানা গিয়েছে, এন ৯৫ মাস্কের আর্দ্রতা করোনা ভাইরাস রুখতে সক্ষম। ইতিমধ্যে একাধিক বিশেষজ্ঞরা সাধারণ মানুষকে মাস্ক ব্যবহার এবং স্যানিটাইজার ব্যবহারের উপরে জোর দিচ্ছেন। আর তাঁর মধ্যে এন৯৫ মাস্ক নিয়ে এই তথ্য সামনে আসাতে আশার আলো দেখতে পেয়েছেন অনেক গবেষকেরাই। এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই ঊর্ধ্বমুখী।

কিছু দেশ বাদ দিয়ে এই মুহূর্তে অধিকাংশ দেশেই অবস্থা যথেষ্ট কঠিন। বাদ নেই ভারতও। তাঁর মধ্যে এই ধরনের তথ্য সামনে আসাতে কিছুটা হলেও সুবিধা হবে গবেষকদের। জানা গিয়েছে, ওই মাস্ক গুলিকে মাস্ক গুলিকে ৬০ মিনিট পর্যন্ত যদি একটি নির্দিষ্ট উষ্ণ তাপমাত্রাতে রাখা হয় তাহলে তা সুবিধাদায়ক। এর ফলে মাস্কের আকার সংক্রান্ত কোন অসুবিধা হবে না। কিন্তু একবার যদি ওই মাস্ক গুলিকে আর্দ্রতার মধ্যে কিছুক্ষণের জন্য রাখা হয় তাহলে টা কোভিড ১৯ ভাইরাসকে আটকাতে আরও সক্রিয় হয়ে উঠবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

শুধু এন ৯৫ ই নয়, সব ধরনের মাস্ককেই যদি একবার করে কম উষ্ণতার মধ্যে কিছুক্ষনের জন্য রাখা হয় তাহলে টা আরও বেশি সক্রিয় ভাবে কাজ করতে পারবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। আর এর ফলে ওই মাস্কের আকার বা গঠন গত কোনও সমস্যা দেখা যাবে না বলেও জানিয়েছেন তারা।

এই কারণে তারা এন ৯৫ মাস্কের বেশ কয়েকটি নমুনার উপরে পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। আর তা থেকে আশানুরূপ ফল পেয়েছেন। এই মুহূর্তে করোনা অতিমারী থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। আর সেই কারণেই মনে করা হচ্ছে এই গবেষণা কিছুটা হলেও সুবিধা দেবে গবেষকদের। অত্যন্ত মাস্কের সাহায্যে ঠেকিয়ে রাখা যাবে করোনাকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.