স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তাঁর বিরুদ্ধে বারবার অভিযোগ উঠেছে যে তিনি বাকি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের তথা মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকেদের তোষণ করেন। ভোট ব্যাংকের সস্তার রাজনীতির জন্যেই নাকি তিনি বারবার তোষণের পথে হাঁটেন। খুশির ইদের দিনে সেই সকল সমালোচকদের জবাব দিলেন তিনি।

আরও পড়ুন- রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের অপব্যবহার বন্ধের দাবিতে মামলা সুপ্রিম কোর্টে

বলাই বাহুল্য এখানে আলোচিত ব্যক্তি হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন সময়ে নানান রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে মসুলিম তোষণের অভিযোগ আনা হয়েছে। শনিবার ইদের অনুষ্ঠানে সেই অভিযোগের জবাব দিলেন মমতা। পরিষ্কার করলেন ধর্ম নিয়ে তাঁর অবস্থান।

এদিন ইদ উপলক্ষে রেড রোডের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “অনেকের অভিযোগ আমি নাকি মুসলিম তোষণ করি। যদি হিন্দুদের আমি ভালোবাসি তাহলে কী মুসলিমদের ঘৃণা করতে হবে?” অভিযোগকারীদের প্রতি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, “আমি সকল সকল ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের লোকেদেরকেই সম্মান করি। এই দেশ সকলের।”

আরও পড়ুন- মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও সীমান্তে ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন হানিফ

কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি-র পক্ষ থেকে বহুবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মুসলিম তোষণের অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজ্যের সুবিশাল মুসলিম ভোট ব্যাংক দখল করতেই নাকি মুসলিম তোষণ করেন ঘাসফুল নেত্রী মমতা। এই একই অভিযোগ বিজেপি ছাড়াও অন্যান্য অনেক রাজনৈতিক দলও করেছে বিভিন্ন সময়ে।

সেই সকল অভিযোগকারীদের আক্রমণ করে এদিন মমতা বলেন, “যারা আমার বিরুদ্ধে মুসলিম তোষণের অভিযোগ করে তারা হিন্দু বা মুসলিম কার বন্ধু নয়।” আগামী বছরে সমগ্র দেশ জুড়ে অনুষ্ঠিত হবে লোকসভা নির্বাচন। দেশের সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের আগে সমস্ত সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ দূর করার ডাক দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসনিক প্রধান।

সন্ত্রাসের সঙ্গে কোনও ধর্মের যোগ থাকে না বলেও দাবি করেছেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর কথায়, “আমাদের বুঝতে হবে যে সন্ত্রাসের কোনও ধর্ম হয় না। দেশ থেকে সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ দূর করতে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সকলকে এক হতে হবে।” নতুন ভারত গড়ার লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আজ শনিবার ইদের দিনেই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর নীতি আয়োগের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। ইদের কারণেই তা পিছিয়ে রবিবার করা হয়েছে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “ইদের দিন সম্পর্কে অবগত না থেকে কেন্দ্র ১৬ জুন নীতি আয়োগের বৈঠক ডেকেছিল। উৎসবের দিন যাতে নীতি আয়োগের বৈঠক না হয় তা নিয়ে আমি কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখেছিলাম।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ আরও কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রী নীতি আয়োগের বৈঠকের দিন নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।