কলকাতা : নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে এলাকার মানুষের কাছে বিক্ষোভের মুখে পড়েছিলেন ৷ কারণ এলাকার জলের সমস্যা। প্রচারে গিয়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন জিতে এলে সমস্যার সমাধানে ব্যবস্থা নেবেন ৷ খেলা হয়েছে। জেতা হয়েছে লাভলির। এবার জনগণের কাছে ফের গিয়ে তাদের সমস্যা সমাধান করার পালা। সেই কাজে নেমে পড়েছেন সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক লাভলি মৈত্র ৷

তাঁর বিধানসভা এলাকার কালিকাপুর ১ ও ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত, ও সোনারপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। এখানে পানীয় জলের সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরেই। এই সমস্যায় ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ৷ বাম আমলে জলের পাইপ লাইন চালু ছিল। বিগত ১০ বছরে এলাকায় জনসংখ্যা বেড়েছে ৷ বহু মানুষের বাস এই এলাকায়। ফলে জলের চাহিদা বেড়েছে। পরিকাঠামো না বাড়ায় অনেকেই পানীয় জল পাচ্ছেন না বলে। অনেক জায়গাতেই জল চুরি হচ্ছে এমন অভিযোগও ছিল ৷ ফল ভুগতে হয়েছে এলাকার বাসিন্দাদের ৷ মানুষকে জল কিনে খেতে হয় ৷

এই সমস্যা সমাধানে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে পিএইচই আধিকারিকদের সাথে বৈঠক করেছেন বিধায়ক লাভলি৷ বৈঠকে পরিকাঠামোর উন্নতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে ৷ এর পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দারা যাতে পানীয় জল পান তার জন্য নানান জায়গায় পানীয় জলের গাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ৷ সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এই পরিষেবা চলবে বলে জানান বিধায়ক ৷

জলনূপুর ধারাবাহিকের মূল নারী চরিত্র সেই ‘কাজল’ ছিলেন সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী। জনপ্রিয় এই টেলিতারকার আসল নাম অরুন্ধতী মৈত্র। একুশেই ঘাসফুল শিবিরে নাম লিখিয়েছেন অরুন্ধতী ওরফে লাভলি মৈত্র। তৃণমূলে যোগ দিয়েই নির্বাচনের টিকিট পেয়েছেন জলনূপুরের নায়িকা। লাভলি অভিনয়কেই নিজের পেশা বলে উল্লেখ করেছেন তাঁর হলফনামায়। গত ১০ বছর ধরে চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত তিনি।

লাভলির স্বামী সৌম্য ছিলেন হাওড়া গ্রামীণের পুলিশ সুপার। নির্বাচন চলাকালীন একজন প্রার্থীর স্বামী কী ভাবে উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক পদে কর্মরত থাকতে পারেন সেই প্রশ্ন তোলেন বিরোধীরা। শেষ অবধি নির্বাচন কমিশন সৌম্যকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক ভাবে সরিয়ে দেয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.