স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সম্পর্কটা একেবারেই অন্যরকম।  তাদের মধ্যে বোঝাপড়া অন্য যে কোনও জুটির চেয়ে বেশি। আর বোঝাপড়া যদি নাই থাকে তাহলে সে সংসার টেকে না বা টিকতে পারে না। স্বামী বা স্ত্রী একে অপরের সবকিছু সহজেই বুঝতে পারে। এখানে জোর করে বোঝাতে গিয়ে অনেক সময় হিতে বিপরীত হয়। তাতে বরং পারস্পরিক অবিশ্বাস তৈরি হতে পারে।

আপনি কেমন আছেন, আপনার মনে কোনও কষ্ট রয়েছে কিনা বা আপনি কোনও সমস্যার মধ্যে আছেন কিনা তা অন্য কেউ না বুঝতে না পারলেও আপনার পার্টনার তা বলে দিতে পারবে সহজেই। অন্যান্য সবকিছুর মতই আপনি আপনার পার্টনারের সঙ্গে যৌনমিলনে কতটুকু তৃপ্তি পেয়েছেন বা আপনি তাতে অসন্তুষ্ট কিনা তা আপনার পার্টনার বলে দিতে পারে।

আপনি যদি মনে করেন যে আপনার পার্টনারকে ছেড়ে অন্য কোনও রাস্তা খুঁজছেন তবে ভুল। নতুন করে সম্পর্ক যদি করতে যান তবে আপনার সঙ্গিনীর মত নতুন সঙ্গিনীর সঙ্গে মানসিক মেলবন্ধন করাতে পারবেন না। এতে সুখে থাকার পরিবর্তে বরং আরও অসুখে থাকবেন।

দীর্ঘ গবেষণার পর ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের গবেষক ইরিন ফলিস বলেছেন, গড়ে প্রত্যেক নারী ও পুরুষ দাম্পত্য জীবনে একে অপরকে বুঝতে সক্ষম। যৌনমিলনের পর একজন কতটুকু সন্তুষ্ট তা অন্যজন নিখুঁতভাবে বলে দিতে পারে। তিনি আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এ ধরনের বোঝাপড়া ইতিবাচক। এতে দাম্পত্য জীবন সুখের হয়।

তাই স্ত্রীর সঙ্গে যৌনমিলনে একঘেয়েমি লাগলেও হতাশ হবেন না। নতুন করে নিজেদের মধ্যে কথা বলুন শারীরিক মিলনে অ্যাডভেঞ্চার আনুন। এতে নতুন জৌলুস ফিরে আসবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।