মুখে যতই বাঘ মারুক না কেন বিয়ের আগে পুরুষরা যৌন সংক্রান্ত ভয়ে ভিজে বেড়াল হয়ে যায়। অনেক পুরুষরাই ভয় পায় আসল কাজের সময় যদি সঙ্গিনীর কাছে ফুশ হয়ে যায় তবে? এ সমস্যা শুধু বিয়ের আগেই নয়, সঙ্গিনীকে প্রথম আদর করার ইচ্ছের সময় থেকেই হয়। পুরুষদের এই ভয় বাজার চলতি কোনও মহাঔষধে সাড়ে না। সাড়ে শুধু একজন মহিলার সংস্পর্শেই। এই যৌন ভয় দূর করতে মহিলার ভুমিকা অতুলনীয়।

স্ত্রী এবং প্রেমিকা কখনই এক বিষয় হতে পারে না। কোন মহিলা যখন স্ত্রী হিসেবে আপনার ঘরে আসবে তখন আপনি প্রানপণে চেষ্টা করবেন তাকে সুখী করার। আর এই আত্মবিশ্বাসই আপনাকে লম্বা মিলনে দৌড়তে সাহায্য করবে। তবে বলে রাখি সেক্স একপ্রকার খেলা! এটা শিখতে হয়। যদিও তা শিখলেই হয় না এর প্র্যাকটিসের খুব প্রয়োজন। আপনি যখন আপনার স্ত্রীকে ঘরে আনবেন তখন তার শরীর, তার চাওয়া-পাওয়া আপনার কাছে অজানা থাকবে। কিন্তু যতই দিন যাবে, আপনি জানবেন কিভাবে সে সুখ পায়, কোন পজিশনে তাকে কাবু করা যায় এবং সেও আপনার টার্নিং পয়েন্ট বুঝবে এবং দু’জনের সমন্বয়ে দীর্ঘ সময়ের মিলন হবে। প্রথম দিকে আপনার দ্রুত বীর্যপাত হতে পারে, কিন্তু এটা খুবই স্বাভাবিক। আপনার স্ত্রীকেও এই বিষয়গুলো বুঝিয়ে বলতে হবে। ভয় এবং সেক্স পরষ্পরের শত্রু।

অনান্য সময় সহজে পুরুষাঙ্গ বেশ শক্ত হয়ে উঠলেও অনেকসময়য় ভয়ে পুরুষের লিঙ্গ কঠিন হয়না। বিয়ের আগে যদি কোন কারনে স্বল্প সময়ে স্থলন সমস্যা দেখেন তা হয়তো আপনার ভয়জনিত কারণ। এতে ভয়ের কিছু নেই। মহিলাই চাইলে একজন ছেলেকে বাঘ বানাতে পারে, চাইলে আবার পোষা বেড়ালও। তবে বাঘ বানালেই সে লাভবান হবে। আর এই বাঘ বানাতে প্রয়োজন কিছু আকর্ষণ করার মতো কথা! আর সেই কথাই আপনার সঙ্গীকে চাঙ্গা করে তুলবে। ভাবছেন আকর্ষণ কথা কেমন হতে পারে? রইল আপনার জন্যে একটা উদাহরণ! একজন সঙ্গী যদি একজন সঙ্গিনীকে বলে ‘এভাবে করো, তোমার এই স্টাইলটা ভালো লাগছে / তুমি খুব ভালো আনন্দ দিতে পারো…।’ ব্যাস এই টুকুর পরেই পুরুষ সঙ্গী চিতা বাঘের মত দৌড়াতে শুরু করে দেবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।