স্টাফ রিপোর্টার,মালদহ: লকডাউনের প্রথম দিনই সবজান্তা পাব্লিকদের বাগে আনতে লাঠি হাতে জেলার দুই শহর জুড়ে সারাদিন টহল দিল পুলিশ।

ইংরেজবাজার পুর এলাকায় সকাল থেকেই শহরের প্রতিটি বাজারে উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। এরপর পুলিশ লাঠি হাতে পথে নামলে শহর কার্যত নিমিষেই ফাঁকা হয়ে যায়। অন্যদিকে পুরাতন মালদহে ভিড় কমাতে বেশকিছু জায়গায় পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে দাবি।

সম্প্রতি করোনা মোকাবিলায় কর্তব্যরত চিকিৎসক আধিকারিক ও পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মী আক্রান্ত হয়েছে। যদিও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁদের চিকিৎসা ব্যবস্থা ইতিমধ্যেই করা হয়েছে। জেলায় হু হু করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। সেই দিকে নজর রেখেই জরুরি ভিত্তিতে জেলা প্রশাসন বৈঠক ডাকে।

সেখানে মালদহ জেলার ব্যবসায়িক় সংগঠন বাস সংগঠন সহ সমস্ত সংগঠনকে নিয়ে বৈঠক করা হয়। করোনা মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি রাজ্য সরকারকে পাঠানো হয়। এর পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সবজি বাজার অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্রের বাজার বেলা ১১ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বাকি সমস্ত দোকানপাট বন্ধ থাকবে। এমনকি শহরের মধ্যে টোটো অটো রিক্সা কোনও কিছুই চলবে না।

এমনকি কনটেনমেন্ট জোনে বাস শুধুমাত্র শহরের প্রাণকেন্দ্র রথবাড়ি এলাকা থেকে কিছুটা দূরে থাকবে। এরপর অন্য কোনও কনটেইনমেন্ট জোনে বাস দাঁড়াবে না। বেলা ১১ টার পর ইংরেজবাজারও পুরাতন মালদহ পুরসভার বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ হানা দিতে শুরু করে।

শহরের বাসিন্দা রাজীব দত্ত জানান, কিভাবে জেলায় হু হু করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে তাতে এই লকডাউন একান্তই প্রয়োজন। করোনা মোকাবেলায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রশাসন যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা মানুষের কাছে আবেদন জানাবো অপ্রয়োজনে মাস্ক না পড়ে বাইরে না বেরোনোর। ঘরে থাকতে হবে। মানুষকে সচেতন হতে হবে।

মালদহ মার্চেন্ট চেম্বার অব কমার্সের সম্পাদক জয়ন্ত কুন্ডু বলেন, “মানুষকে বাঁচাতে করোনা মোকাবিলায় আমরা সর্বত ভাবে সাহায্য করব।জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্ত বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সমস্ত বিষয় নিয়ে বাজার কমিটির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তাঁরা বাজার বন্ধ রাখার জন্য সহমত পোষণ করেছেন। ইতিমধ্যেই আমরা বিভিন্ন বাজারগুলিতে সকাল থেকে মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রচার করতে শুরু করেছি।”

ইংরেজবাজার পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর সদস্য দুলাল সরকার বলেন, “পরিস্থিতি যেদিকে গড়িয়েছে তাতে আগে থেকেই রাজ্য সরকারের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। রাজ্য সরকারের অনুমোদনের পর কার্যকর করেছে জেলা প্রশাসন। আমি নাগরিকদের কাছে আবেদন করব। আপনাদের স্বার্থে এই লকডাউনের নিয়মাবলী মেনে চলুন।”

পুরাতন মালদহ পুরসভার প্রশাসক কার্তিক ঘোষ বলেন, “করোনা মোকাবিলার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অপ্রয়োজনে কেউ যাতে বাইরে বের না হয়। কারণ যে হারে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাতে মানুষকে সচেতন হতে হবে। না হলে আগামী দিনে ভয়ঙ্কর আকার নেবে। ইতিমধ্যেই আমরা এ বিষয়ে প্রতিটি বাজার এলাকাগুলিতে প্রচার শুরু করেছি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।