স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: নকশালবাড়িতে মাহালি পরিবার ঘাসফুল শিবিরে নাম লেখানোর পরেই ভবানীপুরে মমতার গড়ে আবারও হানা দিল বিজেপি। রাজ্য সফরে এসে মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের চেতলা রেলগেট বস্তির যে দুটি বাড়িতে গিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ,  আজ সেই পরিবার গুলির কাছে আবারও গেলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। দিয়ে এলেন পাশে থাকার বার্তা!

পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচী অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে বস্তির বাসিন্দা সন্ধ্যা বৈদ্যের বাড়ি যান লকেট। পরে যান কল্পনা মণ্ডলের বাড়ি। সেখানে তার হাতের লস্যি খান বুজেপি নেত্রী। জানতে চান শাসক দল থেকে কোনও চাপ আসছে কিনা। যদিও মণ্ডল পরিবারের পক্ষ  থেকে জানা হয়েছে, এখনও কোনও প্রকারের চাপ আসেনি তাদের উপর। চাপ এলেও যে তারা গেরুয়া শিবিরেই ভরসা রাখবে তাও জানিয়েছেন তারা।

যদিও এদিনের ভবানীপুর যাত্রা নিয়ে উল্টো পূরাণ শোনা গেল লকেট চট্টোপাধ্যায়ের গলায়। তিনি জানিয়েছেন,  অমিত শাহের সঙ্গে এসে ভিড়ের জন্য লস্যি খেয়ে যেতে পারেননি। তাই আজ লস্যি খেতে এসেছেন কল্পনা মণ্ডলের হাতে।

তবে লকেটের ভবানীপুর যাত্রায় অন্য রাজনৈতিক সমীকরণ দেখছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রথমত,  নকশালবাড়ির মাহালি পরিবার হাত ছাড়া হওয়ার পরে চেতলার রেলবস্তিতে এসে আদতে কর্মীদের পাশে থাকার বার্তা দিল গেরুয়া শিবির। দ্বিতীয়ত,  সরাসরি দলনেত্রীর  ডেরায় হানা দিয়ে তৃণমূলকেও হুমকি দেওয়া গেল যে বিজেপির ঘর ভাঙলে তৃণমূলেরও সাজান বাগান তছনছ করতে  তাদের বেশি সময় লাগবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।