নয়াদিল্লি: সোমবারই ভারতে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও স্ত্রী মেলানিয়া। একদিকে যেমন ভারত-আমেরিকা চুক্তির দিকে রয়েছে বিশেষ নজর, তেমনই প্রথম দিন থেকেই পোশাকে নজর কাড়ছেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি।

সফরের প্রথম দিনেই তাঁর পোশাকে ছিল বিশেষ চমক। সাদা পোশাকের সঙ্গে ছিল একটি সবুজ বেল্ট। আর সেই বেল্টে ছিল ভারতীয়ত্বের ছাপ। এক পুরনো ভারতীয় কাপড় দিয়েই ওই বেল্ট তৈরি করা হয়েছে। তবে দ্বিতীয় দিনে রয়েছে আরও এক নতুন চমক। এদিন মেলানিয়ার পোশাকে রয়েছে পদ্মফুলের এমব্রয়ডারি।

মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রপতি ভবনে যাব ট্রাম্প দম্পতি। মেলানিয়ার পরণে ছিল সাদা শার্ট ড্রেস। আর আতে পদ্মফুল সেলাই করা। বিভিন্ন রঙের সুতোয় সেলাই করা রয়েছে সেই ফুল, কোনোটা গোলাপি, কোনোটা হলুদ।

আসলে এই পদ্মফুলে পিছনে রয়েছে অন্য কারণ। তাঁর এই পোশাকের ডিজাইনার ক্যারোলিনা হেরেরা ভেনেজুয়েলার বাসিন্দা। আর সেই দেশে পদ্মফুল খুবই জনপ্রিয়। তাই নিজের দেশের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েই এই পোশাক তেরি করেন সেই ডিজাইনার।

তবে পদ্মফুল আঁকা পোশাক পরে ভারতে আসা বোধহয় নেহাতই কাকতালীয়। ভারতের জাতীয় ফুল পদ্ম আর বিজেপির প্রতীকও পদ্ম।

প্রথম দিন মেলানিয়া ট্রাম্প এদিন একটি সাদা রঙের জাম্পস্যুট পরেন। অ্যাটেলিয়ার কাইটো ফর হার্ভ পিয়ার-এর এই পোশাকের কাঁধের কাছের ডিজাইন ছিল নজরকাড়া। এর সঙ্গে ব্রোনজ ও সবুজ রঙের মিশেলে একটি সিল্কের বেল্ট পরেন মেলানিয়া। সবুজ সিল্কের কাপড়ে ব্রোনজ গোল্ড সুতোর কাজ করা এই বেল্টে।

মেলানিয়ার ডিজাইনার জানাচ্ছেন, ইন্ডিয়ান টেক্সটাইলের সংগ্রহ থেকে কোমরের এই বেল্টটি তৈরি করেছেন তিনি। প্যারিসে তাঁর এক বন্ধু থাকেন, যিনি বিভিন্ন এলাকার কাপড় সংগ্রহ করেন। তাঁর থেকেই এই কাপড় সংগ্রহ করেছেন তিনি। মেলানিয়া এই পোশাকের সঙ্গে সাদা পয়েন্টেড শ্যু পরেছেন। আহমেদাবাদের ২৮ ডিগ্রি গরমে মেলানিয়ার উন্মুক্ত চুলও মানানসই।

অন্যদিকে ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা পরেছেন মুর্শিদাবাদ সিল্কের তৈরি পোশাক। ভারতীয় ডিজাইনার অনিতা ডোংরের তৈরি এই পোশাক। তিনি জানিয়েছেন, মুর্শিদাবাদ সিল্কের তৈরি এই পোশাক হাতে বানানো। তিনি বলেন, এই স্টাইল ২০ বছরের পুরনো কিন্তু আজও সমান প্রাসঙ্গিক।

অনিতা ডোংরের ওয়েবসাই্টে গেলে দেখা যাবে এই পোশাক। যার দাম ৮২,০০০ টাকা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।