নয়াদিল্লি: ২০১৯ সালে ইন্টারনেট বন্ধ রাখার জেরে দেশের ক্ষতির পরিমাণ ৯,২২৩ কোটি টাকা ৷ শুক্রবার প্রকাশিত এক রিপোর্টে এমনটাই দাবি করেছে, টপ১০ভিপিএন। তাদের পক্ষ থেকে ‘দ্য গ্লোবাল কস্ট অফ ইন্টারনেট শাটডাউনস ইন ২০১৯’ শীর্ষক ওই সমীক্ষা রিপোর্ট বের হয়েছে ৷ সেই রিপোর্ট অনুসারে ইন্টারনেট বন্ধের জন্য ক্ষতির বিচারে ভারতের স্থান বিশ্বের তিন নম্বর রয়েছে।

গত অগস্ট মাসে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পরে সে রাজ্যজুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখে কেন্দ্রীয় সরকার। এ নিয়ে মামলার শুনানিতে শুক্রবারই সুপ্রিম কোর্টের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে মোদী সরকারকে। আদালত জানিয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ রেখে কেন্দ্র দেশের নাগরিকের মৌলিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছে । তবে শুধু জম্মু-কাশ্মীরই নয়, গত বছর দেশের একাধিক রাজ্যে একাধিক বার ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। এরফলে গত বছর ভারতে ১০৬ দফায় মোট ৪,১৯৬ ঘণ্টা ইন্টারনেট বন্ধ ছিল।

ইন্টারনেট বন্ধের জন্য অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ইরাক এবং সুদানের পরেই স্থান হল ভারত। জম্মু-কাশ্মীরে ৪ অগস্ট থেকে টানা ইন্টারনেট বন্ধ রেখেছে ভারত। এতদিন টানা কোথাও ইন্টারনেট এতদিন ধরে বন্ধ রাখা হয়নি৷

সমীক্ষকদলের দাবি, ২০১৬ সালের চেয়ে ২০১৯ সালের প্রথম ৯ মাসেই বিশ্বে ইন্টারনেট বন্ধের ঘটনা বেড়ে গিয়েছে ২৩৫%। ২০১৯ সালে ইন্টারনেট বন্ধের জেরে ক্ষতির অংকটা দাঁড়িয়েছে ৫৬,৭০০ কোটি টাকায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.