স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: সকালে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক৷ একইদিনে রাতের দিকে বাঁকুড়ায় গোপনসূত্রে খবর পেয়ে উদ্ধার হল এক লরি বোঝাই বিস্ফোরক৷ লোকসভা ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকে বাঁকুড়ায় বিস্ফোরক উদ্ধার যেন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে গিয়েছে৷

শালতোড়ার পাবড়া, ইন্দপুরের বগার পর এবার বেলিয়াতোড়। শনিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সিআইডি আধিকারিকরা বেলিয়াতোড়ে একটি বিস্ফোরক বোঝাই লরি আটক করেন। জেলা পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, তেলেঙ্গানা থেকে বিস্ফোরক বোঝাই একটি লরি বীরভূমের দিকে যাচ্ছিল। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার স্থানীয় পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে বেলিয়াতোড়ের একটি হোটেলের সামনে থেকে সিআইডির আধিকারিকরা ওই লরিটিকে আটক করেন।

ওই লরি থেকে ৬৬ প্যাকেট ডিটোনেটর, ২৫০ প্যাকেট জিলেটিন স্টিক ও ২২৯ বস্তা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার হয়। লরির চালক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারায় ওই বিস্ফোরক বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। কি উদ্দেশ্যে এতো বিশাল পরিমাণ বিস্ফোরক বীরভূমে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তদন্ত করে দেখছে পুলিশ৷

জেলার ইন্দপুরে তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত সীতারাম মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ৮০০ ডিটনেটর, ২০০ পাওয়ার জেল, ১ ক্যুইন্ট্যাল অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করে পুলিশ। যার আনুমানিক বাজার মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। বেআইনীভাবে মজুত রাখা বিস্ফোরক মজুতের ঘটনায় তৃণমূল কর্মী সীতারাম মণ্ডলকে পুলিশ গ্রেফতার করে। বার বার বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্কিত বাঁকুড়াবাসী৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।