হাওড়া: মধ্যরাতে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি গাড়ির বাসস্টপে ধাক্কা মেরে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল গ্রামীণ হাওড়ার রাণীহাটি মোড়ে। সূত্রের খবর,গতকাল রাতে কলকাতার দিকে যাচ্ছিল একটি গ্যাস সিলিন্ডার বোঝাই লরি।রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ লরিটি পাঁচলা থানা এলাকার ৬ নং জাতীয় সড়কের রাণীহাটি মোড়ের কাছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা বাস স্টপেজে ধাক্কা মারে।

সঙ্গে সঙ্গেই আগুন লেগে যায় লরিতে থাকা গ্যাস সিলিন্ডারে। মুহুর্তের মধ্যেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশে থাকা একাধিক দোকান,বাড়ি ও নার্সিংহোমে। আতঙ্কে জাতীয় সড়কের উপর নেমে আসেন স্থানীয় মানুষ। নার্সিংহোম থেকে দ্রুত রোগীদের স্থানান্তরিত করা হয়। আগুন লাগার বেশ কিছুক্ষন পরে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ছ’টি ইঞ্জিন। ঘটনাস্থলে আসে পাঁচলা থানার পুলিশ।কার্যত স্তব্ধ হয়ে যায় জাতীয় সড়ক।

বিপদের আশঙ্কায় বিস্তীর্ণ এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।দমকলের চেষ্টায় ভোর পাঁচটা নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানা গেছে। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এলাকার একাধিক বাড়ি,দোকান সহ একটি নার্সিংহোম।এখনো কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দিন চারেক আগে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে দুটি লরির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। লরিতে আগুন লেগে যায়। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় চার জনের। পুলিশ সূত্রে খবর মেলে অ্যাসবেস্টস বোঝাই একটি লরি পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোণা থেকে বাঁকুড়ার দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, বাঁকুড়া থেকে চন্দ্রকোণা যাচ্ছিল পাথর বোঝাই লরিটি। মুখোমুখি সংঘর্ষের পর দুটি লরিতেই আগুন লেগে যায়। রাস্তায় ছিটকে পড়ে মৃত্যু হয় দুই খালাসির। কেবিন থেকে উদ্ধার হয় দুই চালকের অগ্নিদগ্ধ মৃতদেহ। ঘুমিয়ে পড়ার কারণেই দুর্ঘটনা বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের। দুর্ঘটনার জেরে বেশ কিছুক্ষণ জাতীয় সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে।

একইদিনে পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে পথ দুর্ঘটনা ঘটে। লরি-গাড়ির সংঘর্ষে একই পরিবারের এক মহিলা সহ ২ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন ৪ জন। ভোর ৪টে নাগাদ পুরুলিয়া-বরাকর রাজ্য সড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্রে খবর মিলেছিল, গাড়িতে জামশেদপুর থেকে আসানসোল যাচ্ছিলেন একই পরিবারের চারজন। লরির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক সহ সকলে আহত হন। রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে এক মহিলা সহ ২ জনকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।