স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: রাতের অন্ধকারে বেপরোয়া লরির ধাক্কায় ভেঙে গুঁড়িয়ে গেল দু’টি দোকান। বাঁকুড়ার সোনামুখীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড় সাঁকোতলা এলাকার ঘটনা।

স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানের দিক থেকে আসা একটি চাল বোঝাই লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঐ এলাকার পর পর দু’টি দোকানে সজোরে ধাক্কা মারে। পরে রাস্তার পাশে একটি নালায় আটকে যায় গাড়িটি। গাড়ির গতি এতটাই তীব্র ছিল যে, লরির সামনের অংশ ভেঙে দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এদিকে গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটায় কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

এই ঘটনায় একটি চায়ের দোকান ও একটি দশকর্মা ভাণ্ডারের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের মালিক চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় ও বাড়ি বাগদীরা বলেন, ”এই ঘটনায় আমাদের দোকানের অনেক ক্ষতি হয়েছে। দোকানের সমস্ত মালপত্র নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় সংসার চালানোই দুষ্কর হয়ে পড়বে।” এই অবস্থায় ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে, শুক্রবার সকালে ঐ এলাকায় যান পৌরপ্রধান সুরজিৎ মুখোপাধ্যায়। তিনি সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।