অযোধ্যা: দীর্ঘ বছরের মামলা। প্রত্যেকবারের ইলেকশন অ্যাজেন্ডা। অবশেষে তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির। আগামী ৫ অগস্ট শুভ সূচনা হবে সেই মন্দিরের। আর সেই অনুষ্ঠানের প্রথম আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হল এক মুসলিম ব্যক্তিকে।

অযোধ্যা মামলার অন্যতম মামলাকারী ইকবাল আনসারিকে প্রথম আমন্ত্রণ পত্র পাঠানো হয়েছে। সোমবারই সেই আমন্ত্রনপত্র পেয়েছেন তিনি।

এদিন সংবাদসংস্থার মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘এটা বোধহয় ভগবান রামের ইচ্ছা যে আমি প্রথম এই আমন্ত্রণপত্র পাই। আমি এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করলাম।’ তিনি বলেন, অযোধ্যায় হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি নিয়েই বাস করে।

তিনি আরও বলেন, ‘মন্দির তৈরি হলে অযোধ্যার ভাগ্যও বদলে যাবে। অযোধ্যা হয়ে উঠবে আরও সুন্দর। অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। গোটা বিশ্বের মানুষ মন্দির দেখতে আসবেন ফলে স্থানীয় মানুষ কাজ পাবেন।

ইকবাল আনসারির কথায়, অযোধ্যার কারও মধ্যে কোনও সমস্যা নেই, কষ্ট নেই। অযোধ্যার প্রত্যেকটা কোণায় সব ধর্মের দেব-দেবীর বাসস্থান। অযোধ্যা সাধু-সন্তদের জায়গা। বলেন, ‘রাম মন্দির হচ্ছে বলে আমি খুশি। কোনও ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আমাকে ডাকা হলে আমি যাব।’

ভূমিপূজনের ঠিক দু’দিন আগেই সোমবার প্রকাশ্যে এল গেরুয়া রঙের সেই আমন্ত্রণ পত্র। সেখানে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম। মাত্র পাঁচজন থাকবেন মঞ্চে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়া থাকবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের গভর্নর আনন্দিবেন পটেল ও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এছাড়া মোহান্ত নৃত্য গোপালদাস মঞ্চে থাকতে পারবেন বলে জানা গিয়েছে।

অতিথিদের নাম ছাড়া রাম লাল্লা বা শ্রী রামের ছবি রয়েছে সেই কার্ডে। মোট ১৫০ জনের কাছে ওই আমন্ত্রণ পত্র গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রাম মন্দিরের সূচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদী একটো ৪০ কেজির রূপোর ইঁট স্থাপন করবেন বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সেখানে থাকতে পারবেন না কোনও সাধারণ মানুষ বা ভক্ত। ৫ জন বা তার বেশি মানুষের কোনও জমায়েত করা চলবে না ওই এলাকায়। জানানো হয়েছে করোনা ভাইরাসের লকডাউনের সব ধরণের প্রোটোকল বা নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা