লে: শেষ হল দীর্ঘতম টানেলের কাজ। ১০ বছর পর টানেলে যুক্ত হল মানালি ও লে। ১০,০০০ ফুট উচ্চতায় এটাই বিশ্বের দীর্ঘতম টানেল। ৬ বছরের মধ্যে সেই কাজ সমওঊর্ণ হওয়ার কথা ছিল। অবশেষে ১০ বছর বাদে সেটির কাজ শেষ হল।

এই প্রজেক্টের চিফ ইঞ্জিনিয়ার কেপি পুরুষোত্তম জানিয়েছেন, ওই টানেলের প্রত্যেক ৬০ মিটার পর পরই সিসিটিভি বসানো হয়েছে। এই টানেল তৈরির ফলে মানালি ও লে-র দরত্ব কমে গেল ৪৬ কিলোমিটার। ৪ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় বাঁচানো সম্ভব হবে।

এই টানেল তৈরির কাজ বেশ কঠিন ছিল বলে মনে করছেন তিনি। একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। এই টানেল ১০.৫ মিটার লম্বা বলে জানা গিয়েছে। দু’দিকে ১ মিটার করে ফুটপাথ আছে।

রোটাং পাসে কাজ করার সময় পাওয়া যায় বছরে মাত্র ৪ থেকে ৫ মাস। প্রবল ঠান্ডা ও বরফের জন্য বছরের বাকি সময় বন্ধই থাকে এই পথ। এই টানেল চালু হলে সারা বছরই যাতায়াত করা সম্ভব হবে মানালি-লে হাইওয়েতে। তবুও ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক অদ্ভূত নিদর্শন এই অটল টানেল। ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় এই ধরনের কাজ যথেষ্ট কঠিন বলেই জানিয়েছেন নির্মানকারী সংস্থার আধিকারিকরা। প্রতি ৫০০ মিটার অন্তর রয়েছে বেরিয়ে যাওয়ার সুড়ঙ্গ। রয়েছে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা।

টানেলের ভিতরে আগুন লাগলেও যাতে দ্রুত ভিতরে আটকে থাকা মানুষদের বের করে আনা যায় তারও ব্যবস্থা রয়েছে। টানেলটি চওড়া সাড়ে দশ মিটার। রাস্তার দুপাশে ১ মিটার করে ফুটপাত তৈরি করা হয়েছে। এই টানেলটি মানালি থেকে লে শহরের দূরত্ব ৪৬ কিলোমিটার কমিয়ে দেবে। ফলে পাহাড়ি রাস্তায় প্রায় ৪ ঘন্টা সময় কমে যাবে। সামরিক দিক থেকেও খুব গুরুত্বপূর্ণ এই টানেল। লাদাখে ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যে সেনা ও সেনাবাহিনীর রসদ আরও দ্রুত পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা