কলকাতা: আজকাল এই যান্ত্রিক সভ্যতার যুগে আমরা প্রতিবেশীর ভালো-মন্দের হিসেবে রাখতেও ভুলে যাচ্ছি। নিজেদের কষ্ট কাকে বলবেন? সবাই তো এখন ডিজিটাল কুশল বিনিময়ে মেতেছে। কিন্তু একটা সময় যখন আপনার ইন্টারনেট শেষ হয়ে যায় বা মোবাইলের ব্যাটারি শেষ হয় তখনই রাতে শুয়ে শুয়ে আপনি অনুভব করেন আপনি আসলেই কতটা একা।

তবে এই একাকিত্ব কাটাতেই নাকি বিশ্ব জুড়ে বাড়ছে ইন্টারনেটের ব্যবহার, এমনই বলছে নতুন গবেষণা। আর এই একাকিত্বের সমস্যা হচ্ছে প্রধানতঃ বয়ঃসন্ধিক্ষণে থাকা কিশোর-কিশোরীরা। মূলতঃ লক ডাউনে বেড়েছে এই একাকিত্বের রোগ। তারা ইন্টারনেটেই এখন তাদের অস্তিত্ব খুঁজে পায়। শুধু তারাই সবথেকে বেশি পরিমাণে এর ব্যবহার করে এবং সবথেকে বেশি আসক্তির সম্ভাবনাও তাই তাদের মধ্যেই রয়েছে। দিনের বেশিরভাগ সময় যারা কাটাচ্ছে ইন্টারনেটে তারা মূলত অনলাইন গেমিং ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। এই বিশেষ সমীক্ষার জন্যে ১৭৫০ জনের উপর পরীক্ষা করেছে একটি বিশেষ দল। ১৬. ১৭ এবং ১৮ বছর এই তিনটি বয়সের কিশোর-কিশোরীদের বেছে নেওয়া হয়েছে তিনটি দলে ভাগ করে।

আরো পোস্ট- কয়লা কাণ্ডে এবার রাজ্যের বাইরেও CBI তল্লাশি

দেখা গেছে, ১৬ বছরের কিশোর-কিশোরীরা সবথেকে বেশি আসক্ত হচ্ছে ইন্টারনেটের প্রতি। তবে কিশোররাই বেশি ঝুঁকছে এর প্রতি। অতিরিক্ত ইন্টরনেট ব্যবহারের এই আসক্তি আবার বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকে যেখানে তারা নিজেরদের বিবেচনা দিয়ে কাজ করতে শেখে ও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। যাদের নিয়ে পরীক্ষা করা হয় তাদের মধ্যে ইন্টারনেটের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে অবসাদের একটা সম্ভাবনা লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে ইন্টারনেট ও অবসাদ একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত।

একদিকে যেখানে অবসাদ থেকেই তারা এগোচ্ছে ইন্টারনেটের যথেচ্ছ ব্যবহারের দিকে আবার অন্যদিকে, এই ইন্টারনেটের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলেই বাড়ছে তাদের মধ্যে অবসাদ। যেহেতু ইন্টারনেটের যথেচ্ছ ব্যবহারে নষ্ট হচ্ছে সময়, রাতের ঘুম ও জীবনধারাও পাল্টাচ্ছে, তাই তাদের পড়াশোনায় এর প্রভাব পড়ছে। কারণ যে সময়টা বাঁচছে, সেটাতে তারা বিশ্রাম নেওয়া, খাওয়া-দাওয়াতেই ব্যয় করছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।