নয়াদিল্লি: অসমের নাগরিকপঞ্জীকার বিরুদ্ধে উত্তাস সংসদ৷ তালিকায় নাম নেই ৪০ লক্ষ মানুষের৷ কোথায় যাবেন এই ৪০ লক্ষ মানুষ? প্রথমেই এনআরসি বিতর্কে প্রশ্ন ছোড়েন তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শুধু অসমেই কেন নাগরিকপঞ্জীকার তালিকা প্রকাশিত হচ্ছে বলে জানতে চান সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়৷

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্পূর্ণ সমর্থন করেন কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাগরে৷ তিনি জানান, কোনওভাবেই এই তালিকা মানা যায় না৷ ৪০ লক্ষ মানুষ যারা তালিকায় নেই, প্রত্যেকেই ভারতবাসী৷ সিপিএম সাংসদ মহম্মদ সেলিমও নাগরিকপঞ্জীকার বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠান৷ তিনি জানান, এই ভাঙনের রাজনীতিরর ফল ভালো হবে না৷ আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব৷ ভারতবাসীকে ভারত থেকে তাড়িয়ে দেওয়া অর্থহীন৷ পাশপাশি এই ঘটনার পর জয়প্রকাশ নারায়ণ যাদব মানবাধিকার লঙ্ঘনের ভয় পাচ্ছেন বেল মত প্রকাশ করেন৷

অবশ্য, বিরোধীদের বক্তব্যকে গুরুত্ব না দিয়েই নাগরিকপঞ্জীকার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে রাখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ সেলিমের বক্তব্যকে হাতিয়ার করেন রাজানাথ৷ নাগরিক পঞ্জীকা নিয়ে সেলিম বলেন-‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এনআরসি তালিকা পেশ করা হয়েছে’৷ রাজনাথের পাল্টা জবাব- ‘এনআরসি তালিকা প্রকাশের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের নয় বরং সুপ্রিম কোর্টের৷ বেআইনি ভাবে যারা ভারতে বাস করছেন, এই তালিকা প্রকাশ তাদের জন্য৷ প্রকাশিত তালিকাও চূড়ান্ত নয়৷ তাই ৪০ লক্ষ মানুষের বাদ যাওয়া নিয়ে সমালোচনার কোনও কারণ নেই৷’ বিষয়টি স্পর্শকাতর, সমালোচনার নয়৷ লোকসভায় জানান রাজনাথ৷ নাগরিকপঞ্জীকা বিতর্কে মুলতুবি হয় রাজ্যসভার অধিবেশনও৷