কলকাতা: লোকসভা নির্বাচনে ৪২-এর আশা মেটেনি মুখ্যমন্ত্রীর। তিনি বোধহয় দুঃস্বপ্নেও যা ভাবেননি, তাই হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে, যেখানে বিজেপির নাম-গন্ধ ছিল না কিছুদিন আগেও, সেখানে বিজেপি পেয়েছে ১৮টি আসন। নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর কার্যত মৌনব্রত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাংবাদিক বৈঠক করতেও দু’দিন সময় লেগেছিল। একুশের মঞ্চ থেকেও সেই নির্বাচনের ফলাফলের প্রসঙ্গে তুললেন মমতা।

এদিন মঞ্চে তিনি লোকসভা নির্বাচন নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ‘২০১৯-এর নির্বাচন কোনও ‘হিস্ট্রি’ নয়, আসলে একটা ‘মিস্ট্রি’, ব্যালট প্রসঙ্গেই একথা বলেন মমতা। এদিন তৃণমূলনেত্রী তথা দলের মূল অ্যাজেন্ডা ছিল, ব্যালট ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আগামিদিনে যাতে ইভিএমে ভোট না হয়, সেই দাবিই এদিন তোলা হয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, বিজেপি যে কটি সিট পাবে বলেছিল, সেকটিই পেল কীভাবে, এটাই সবথেকে বড় মিস্ট্রি বা রহস্য। তাঁর দাবি সবটাই আসলে ইভিএম কারচুপির ফল। এই দাবি অবশ্য আগেও করেছেন মমতা।

অন্যদিকে কাটমানি ইস্যুতে তৃণমূল নেত্রীর দাবি ‘আগে ব্ল্যাক মানি ফিরিয়ে দাও৷’ দেশের বাইরে যে কোটি কোটি টাকার কালো টাকা রয়েছে, তা ফেরত আনার ব্যবস্থা করুক বিজেপি৷ নির্বাচনের আগে যে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী, তা কোথায় গেল? প্রশ্ন তোলেন মমতা৷
রোজভ্যালি নিয়ে নেত্রীর দাবি, যাঁদের ডাকা হচ্ছে তাঁদের বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একা শতাব্দীকে নয়, প্রসেনজিত, ঋতুপর্ণা সহ আরও অনেককে ডাকা হয়েছে৷ আরও অনেককে ডাকবে৷ প্রসেনজিত, ঋতুপর্ণাদের বলা হচ্ছে, বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে গ্রেফতার করা হবে না, আর যোগাযোগ না করলে তোমাকে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় হতে হবে, তোমাকে তাপস পাল হতে হবে৷ কী ভেবেছে ওরা, এজেন্সি দিয়ে ভয় দেখাবে? কাদের দিয়ে প্ল্যান তৈরি করছে সে সব আমি জানি৷ এত ভোট পেয়েও লোভ যায়নি৷’

যদিও এদিন কাঠফাটা রোদে মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে শ্রোতার অভাব পড়েছিল বলে শোনা যাচ্ছে, তবে মমতার ভাষণে সেই পুরনো ঝাঁঝ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।