তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ ‘নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে মানুষকে ভুল বোঝাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার’। ঠিক এই ভাষাতেই নাগরীকত্ব সংশোধনী আইন ইস্যুতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দূষলেন বিজেপির রাজ্য মহিলা মোর্চা সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর যদুভট্ট মঞ্চে নাগরীকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ-র সমর্থণে দলের এক সভায় যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সাংসদ।

সেখানে লকেট চট্টোপাধ্যায় আরও বলেন, এই সরকার মানুষকে ভুল বোঝানোর পাশাপাশি মিথ্যে বলছে। এমনকি হিংসার পথে চালনা করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। এর বিষয়ে মহিলা মোর্চার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে তিনি জেলা সফরে বেরিয়েছেন বলেও লকেট চট্টোপাধ্যায় জানান।

এই মুহূর্তে যখন জেলায় শাসক শিবির নাগরীকত্ব সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলনে নেমেছে, ঠিক তখনই লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মতো দলের প্রথম সারির রাজ্য নেত্রীকে এখানে এনে মাষ্টারস্ট্রোক দিতে চাইছে বিজেপি। এমনটাই মনে করছেন জেলা রাজনৈতিক মহলের একাংশ। যদিও বিজেপির তরফে এবিষয়ে তাদের বক্তব্য স্পষ্ট করা হয়েছে।

বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সূত্রে খবর, নাগরীকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে বোঝাতে মহিলা মোর্চার কর্মীদের জেলায় জেলায় প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। সেই প্রশিক্ষণ শিবিরে বক্তব্য রাখতেই বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের জেলা সফর বলে জানানো হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।