প্রতীকী ছবি

কলকাতা: করোনায় লাগাম পরাতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই রাজ্যের কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে শুরু হয়ে গেল লকডাউন। এই পর্বের লকডাউনে আরও কড়াকড়ি বাড়াচ্ছে প্রশাসন। শহর কলকাতার ২৫টি এলাকায় লকডাউন শুরু হয়েছে।

একইভাবে উত্তর ২৪ পরগনার ৯৫টি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৭৩টি এলাকায় এদিন বিকেল ৫টা থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। এরই পাশাপাশি হাওড়ার ১৪৬টি, মালদহের ৭১টি, শিলিগুড়ির ৫১টি এলাকায় লকডাউন শুরু হয়েছে।

মাত্রাছাড়া সংক্রমণ বাংলায়। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতিতে লাগাম পরাতে সচেষ্ট সরকার। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাজ্য়ের কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে পূর্ব ঘোষণা মতোই শুরু হয়ে গেল লকডাউন। এই পর্বের লকডাউনে নজরদারি আরও বেশি বাড়ানো হবে। আরও বেশি কড়াকড়ি করবে প্রশাসন।

বিধি ভাঙলেই কড়া ব্যবস্থা নেবেন পুলিশকর্মীরা। শহর কলকাতাতেও বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে শুরু হয়েছে লকডাউন। তারই জেরে শুক্রবার থেকে আগামী চারদিন কলকাতা হাইকোর্ট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই পর্বের লকডাউন চলবে ৭ দিন পর্যন্ত। ৭ দিন পর পরিস্থিতি দেখে লকডাউন নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে রাজ্য সরকার। বুধবারই নবান্নে একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তবে লকডাউন চললেও জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। মাস্ক ছাড়া বাইরে বেরোলেই কড়া ব্যবস্থা নেবে পুলিশ। পত্রপাঠ অভিযুক্তকে বাড়ি ফেরত পাঠানো হবে। এরই পাশাপাশি কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে কাউকেই বেরোনয় ছাড়পত্র দেবে না পুলিশ।

যে যে এলাকায় লকডাউন চলবে, সেখানে জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ধরনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে। সরকারি-বেসরকারি পরিবহণ ব্যবস্তা বন্ধ থাকার পাশাপাশি কন্টেনমেন্ট জোনগুলিতে বন্ধ থাকবে দোকান-বাজার, সরকারি-বেসরকারি অফিস, কারখানা-সহ সব প্রতিষ্ঠান। প্রশাসনের তরফেও লকডাউন মেনে চলর জন্য স্থানীয়দের সতর্ক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ