নয়াদিল্লিঃ ইতিমধ্যে বিশ্বে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের জেরে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ইতিমধ্যে ভারতেও এই ভাইরাসের কারণে মৃত্যু হয়েছে সাতজন। কার্যত চোখের পলকেই আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪০০। একাধিক রাজ্যতে ইতিমধ্যেই লক ডাউনের ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্র এবং রাজ্য যৌথভাবে লড়াই করে চলেছে এই ভাইরাস প্রতিরোধ নিয়ে। তারই মাঝে লক ডাউনের ঘোষণা করা হল রাজধানী দিল্লিতে। সোমবার সকাল থেকেই সম্পূর্ণভাবে লক ডাউন করে দেওয়া হয়েছে রাজধানী। পাশাপাশি দিল্লির সীমান্তও ব্লক করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, সংক্রমণ রোখার জন্য বন্ধ থাকবে বিমানবন্দর।

সোমবার অর্থাৎ ২৩ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত থাকবে এই লক ডাউন। তবে খোলা থাকবে জরুরি পরিষেবা। এছাড়াও বন্ধ থাকবে জন পরিবহণ ব্যবস্থাও। এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে ছাড় থাকবে মুদি দোকান,দুধের দোকান, ওষুধের দোকান, পেট্রোল পাম্পের ক্ষেত্রে। এছাড়া জানানো হয়েছে কেবলমাত্র জরুরি পরিস্থিতিতে বাইরে বেরোলে কাউকে আটকানো হবে না। এছাড়া সেক্ষেত্রে কোন প্রমাণ দেখানোর প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সাংবাদিক সম্মেলনে কেজরিওয়াল জানিয়েছেন, এই ভাইরাস সংক্রমণ রুখতে আর কোন পথ নেই। তাই বাধ্য হয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তিনি জানিয়েছেন লক ডাউন চলাকালীন বন্ধ রাখা হবে দিল্লি সীমান্ত। সাধারণ মানুষকে যাতে কোন অসুবিধার মধ্যে পরতে না হয় সেদিকে কড়া নজর থাকবে।

এছাড়া এই পরিস্থিতিতে কোনও গাড়িকে পথে নামতে দেওয়া হবে না। তবে বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে। পাশাপাশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বিমান পরিসেবাতেও। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে দিল্লিতে বেশ কয়েকটি করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে ছটি ঘটনাই সংস্পর্শে আসার কারণে ঘটেছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। আর সেই কাড়োণেঈ পরিস্থিতি যাতে কোনভাবেই হাটেড় বাইরে না যায়। শক্ত হাতে রাশ ধরার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।