স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আগামী ৫ অগস্ট রাম মন্দিরের ভূমিপুজো। ওই দিন অকাল দীপাবলির চেহারা নেবে গোটা অযোধ্যা। সেই ঐতিহাসিক রাম মন্দিরের ভূমিপুজোর দিনে বাংলায় লকডাউন প্রত্যাহারের দাবি জানালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। লকডাউন প্রত্যাহার না হলে ‘ফল ভালো হবে না’ বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

করোনা সংক্রমণ রুখতে সপ্তাহে দু’দিন করে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। আগস্ট মাসে মাসে ৫, ৮, ১৬, ১৭, ২৩, ২৪ এবং ৩১ আগস্ট সম্পূর্ণ লকডাউন হবে বলেই জানিয়েছে নবান্ন। আগামী ৫ আগস্ট আবার রাম মন্দিরের ভূমিপুজো।

এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমার মনে হয় এখনও সময় আছে। লকডাউন তুলে নিয়ে আগে পরে করা উচিত। ৫ আগস্ট সারা দেশের মানুষের কাছে গর্বের দিন। গৌরবের দিন। উৎসাহ, উদ্দীপনার দিন। ঐতিহাসিক দিন। ওইদিন লকডাউন করলে সরকারকে ফল ভুগতে হবে।”

তিনি বলেন, “ঐতিহাসিক ক্ষণে বাংলার মানুষ শামিল হতে পারবেন না এটা দুঃখের। যাঁরা রাষ্ট্রীয় দিবসে লকডাউন করছেন, তাঁদের মানুষ কিন্তু ভুলবে না এত সহজে।”

অযোধ্যায় ‘বিতর্কিত জমি’তে রাম মন্দির তৈরির পক্ষেই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৫ অগাস্ট মন্দির নির্মাণের জন্য ভূমি পুজো করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্বয়ং। ৫ অগস্ট ঠিক সোয়া ১২টায়, ৪০ কেজির রুপোর ইট পুঁতে মোদীর হাতে ভূমিপুজোর উদ্বোধন হবে।

প্রথমে হনুমানগঢ়ী মন্দিরে গিয়ে প্রার্থনা, পরে অস্থায়ী রামমন্দিরে পুজো দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরে ভূমিপুজোর উদ্বোধন করবেন। দু’দিন আগে থেকেই অবশ্য বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পুজোর প্রস্তুতি পর্ব শুরু হয়ে যাবে। গোটা অনুষ্ঠানের জন্য অযোধ্যায় দু’ঘণ্টা কাটাবেন মোদী। বারাণসী থেকে পুরোহিতেরাও পৌঁছচ্ছেন অযোধ্যায়।

ভুমিপুজো উপলক্ষ্যে হুগলির ত্রিবেণী, বীরভূমের তারাপীঠ ও পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড় থেকে জল-মাটি-যজ্ঞের ভষ্ম নিয়ে অযোধ্যায় রওনা দিয়েছে বিশ্বহিন্দু পরিষদের নেতারা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ