নয়াদিল্লি : লকডাউন দেশে কতটা সফল তা নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকলেও, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এর স্বপক্ষে বেশ কিছু পরিসংখ্যান তুলে ধরলেন। সোমবার সংসদের বাদল অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হর্ষ বর্ধন বলেন দেশে লকডাউন কড়া হাতে জারি করার ফলে মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচেছেন কমপক্ষে ৩৭ থেকে ৩৮ হাজার মানুষ। করোনা সংক্রমণ থেকে বেঁচেছেন ১৪ থেকে ২৯ লক্ষ মানুষ।

এদিন স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন করোনার সাথে মোকাবিলা করা দেশের সামনে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। সাফল্যের সঙ্গে সেই যুদ্ধে লড়াই করছে গোটা দেশ। সঠিক সময়ে লকডাউনের সিদ্ধান্ত এনেক বড় ক্ষতির হাত থেকে বাঁচিয়েছে দেশকে। এরই সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে ও সাধারণ মানুষের স্বতস্ফূর্ত সহযোগিতায় করোনার সঙ্গে অসম লড়াই করতে পারছে দেশ।

এদিকে, দেশে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনার হার। শেষ ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৯২ হাজার ৭১ জন। এই সময়ের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১,১৩৬ জনের। নতুন সংক্রমণ ও মৃত্যুর জেরে দেশে বেড়েছে মোট সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যাও। এখন অবধি দেশে, মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ লক্ষ ২৬ হাজার ৪২৮ জন। এরমধ্যে অ্যাক্টিভ কেস রয়েছে ৯ লক্ষ ৮৬ হাজার ৫৯৮ টি। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৭ লক্ষ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষ। দেশজুড়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৭৯ হাজার ৭২২ জনের।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের নয়া বুলেটিন জানাচ্ছে দেশে মোট করোনা টেস্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫.৬২ কোটি। নয়া বুলেটিনে মন্ত্রক জানিয়েছে মে মাসে যেখানে সুস্থ হওয়া রোগির সংখ্যা ছিল ৫০ হাজার, সেখানে সেপ্টেম্বর মাসে সুস্থ হওয়া রোগির মোট সংখ্যা ৩৬ লক্ষ। প্রতিদিন এখন সুস্থ হচ্ছেন ৭০ হাজার রোগী, যা রেকর্ড। মোট আক্রান্তের সংখ্যার এক চতুর্থাংশ সুস্থ হচ্ছেন প্রতিদিন, জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

উল্লেখ্য, রবিবার এক বিবৃতিতে হর্ষ বর্ধন জানান ২০২১ সালের শুরুতেই হাতে চলে আসবে করোনা ভ্যাকসিন। আপাতত কেন্দ্রের প্রধান লক্ষ্য নিরাপদ ও কার্যকরী ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসা। এদিন তিনি বলেন ভ্যাকসিন নিয়ে কোনও প্রশ্ন বা সংশয় থাকলে, প্রথম ভ্যাকসিনটি তিনিই নেবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিবৃতিতে মন্ত্রী জানান, ভ্যাকসিন লঞ্চ করার জন্য কোনও নির্দিষ্টি তারিখ বা দিনক্ষণ ঠিক করা হয়নি। ২০২১ সালের প্রথম চার মাসের মধ্যেই এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। প্রাথমিকভাবে তাঁরাই এই ভ্যাকসিন নেবেন, যাঁদের সবথেকে বেশি প্রয়োজন। তারপর মাস ভ্যাকসিনেশন শুরু হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।