নয়াদিল্লি:  ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার পথে দেশ। মারণ করোনাকে সঙ্গেই নিয়ে বাঁচতে হবে। আর সেই কারণে পঞ্চম দফার লকডাউন অনেকটাই ছাড় দিল কেন্দ্রীয় সরকার।চতুর্থ দফা লকডাউন শেষ হচ্ছে ৩১ মে, রবিবার। সোমবার থেকে নতুন করে লকডাউন শুরু হবে কিনা, সেদিকেই নজর ছিল। তবে এবার আর লকডাউন নয়, শুরু হচ্ছে UNLOCK 1 অর্থাৎ একটু একটু করে শিথিল হবে লকডাউন। তবে কিছু ক্ষেত্রে এখনও লকডাউন জারি থাকছে।

পঞ্চম দফা বা Lockdown 5.0 জারি থাকছে শুধুমাত্র কনটেনমেন্ট জোন গুলিতে। সেখানে বেশ কিছু নিয়ম এখনও জারি থাকছে। তবে অন্যান্য জায়গায় নিয়ম শিথিল হচ্ছে। ৮ জুন বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যেমন অফিস, ধর্মস্থান সমস্ত কিছুই খুলে যাচ্ছে।

নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী, কনটেনমেন্ট জোনের বাইরে সব ধরনের কাজকর্ম চলবে, তবে একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি মেনে। ৩০ জুন পর্যন্ত এই নিয়ম জারি থাকবে বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গেই এদিন রাতের কারফিউয়ের নিয়মে শিথিল করা হয়েছে। নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে, রাতের কারফিউয়ের সময়সীমা রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট করা হয়েছে। এই সময়সীমা সমগ্র দেশের জন্যই বলবৎ করা হয়েছে।

এর আগে রাতের কারফিউয়ের সময়সীমা সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত করা হয়েছিল। যদিও বাংলাতে কারফিউ ছিল না। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, নিয়ম কড়া ভাবে পালন করা হলেও কারফিউ থাকবে না এই রাজ্যে। কিন্তু পঞ্চম দফার লকডাউনে ফের রাতের কার্ফুর উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

যদিও অনেকটাই শিথিল ভাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে দেওয়া নির্দেশিকাতে বলা হয়েছে যে, ব্যক্তিগত চলাফেরার উপরে জারি করা নিষেধাজ্ঞা কঠোর ভাবে রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সারাদেশে বহাল থাকবে। তবে রাতে অত্যাবশকীয় কারণে গতিবিধির জন্য ছাড় দেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

এদিকে, দেশে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুও। শেষ ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৯৬৪ জন। যার ফলে দেশে বর্তমানে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭৬৩।

পাশপাশি ২৪ ঘন্টায় ২৬৫ জনের মৃত্যু হওয়ায় বেড়েছে মৃতের সংখ্যাও। বর্তমানে দেশজুড়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯৭১ -এ। দেশে মোট আক্রান্তের মধ্যে বর্তমানে আক্টিভ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮৬ হাজার ৪২২ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮২ হাজার ৩৭০ জন।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প